1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
কারিগরি শিক্ষাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না : শিক্ষামন্ত্রী সিল্ক শুধু রাজশাহীর নয় এটি সারা বাংলাদেশের সম্পদ : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শিবগঞ্জে রাস্তা দখল করে বাড়ি ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণে ভোগান্তিতে এলাকাবাসী বাঘায় ৭০ বছর আগে বিক্রি করা জমি দখলের চেষ্টায় বাড়ি ঘরে হামলা-মামলা ধর্ম ও জাতীয়তা: বাঙালি মুসলিম পরিচয়ের স্বরূপ ও সমন্বয় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আদলে ভূয়া কার্ড তৈরি করে নিম্নমানের চাল বিতরণ, কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তার শঙ্কা গোদাগাড়ীতে দুই উপদেষ্টার সেচ কার্যক্রম পরিদর্শন, বৃক্ষরোপণ রূপসায় মাদকসেবী ছেলের হাতে মা খুন ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন শিবগঞ্জে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলার সমাপ্তি

বাঘায় পুকুর পাড়ে স্যান্ডেল-ব্যাগ দেখে জাল নামিয়ে পাওয়া গেল মরদেহ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বিশেষ প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘায় স্থানীয় এক পুকুর থেকে সানারুল ইসলাম (৪৫) নামে নিখোঁজ চা ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (০৭-০৪-২৬) ভোর সাড়ে ৪টায় উপজেলার মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এলাকার একটি পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সানারুল বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের হাবাসপুর গ্রামের মৃত খলিল উদ্দিন মন্ডল ছেলে । তিনি স্থানীয় মনিগ্রাম বাজারের একজন চা ব্যবসায়ী ছিলেন।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে একই ইউনিয়নের তুলশিপুর গ্রামে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন সানারুল। এর আগে তার বসতভিটা ছিল বেড় হাবাসপুর গ্রামে। সানারুলের স্ত্রী বুলুয়ারা জানান, প্রতিদিন দোকান বন্ধ করে বাড়িতে আসার পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ফোন দেয়। ঘটনার রাতেও সে রাত ১১ টা ৫৬ মিনিটে ফোন দেয়। ফোন কলের মাধ্যমে বাড়ি থেকে বের হয়ে আগায়ে নিতে যাওয়ার পথে মোবাইলের আলো দেখতে পান। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই আলো বন্ধ হয়ে যায়। পরে তাকে আর খুঁজে না পেয়ে পাশের বাড়ির রাজু ও তার মাকে নিয়ে খুঁজতে বের হন। এ সময় স্থানীয় পুকুর পাড়ে সেন্ডেল ও বাজার করা ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সহায়তায় পুকুরে জাল নামিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশকে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় বলে জানান।

পরিকল্পিত হত্যার পর পুকুরে মরদেহ ফেলে দেওয়ার দাবি পরিবারের। তাদের দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে সেলিম কাঠ মিস্ত্রী ও ছোট ছেলে ট্রাকের হেলপারের কাজ করে। বাড়িতে যাতায়াতের জমি নিয়ে স্থানীয় ৩জনের সাথে বিরোধ ছিল। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সেরাজুল হক জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ওসি। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট