1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
কুড়িগ্রামে ২০টি গ্রাম প্লাবিত ও ৩৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
জেলা জুড়ে উৎসবের আমেজ: রাষ্ট্রপতিকে নিজ জেলায় বরণ করতে প্রস্তুত ঠাকুরগাঁও নাচোলে গ্রামীণফোন টাওয়ারের চুরি হওয়া ব্যাটারি উদ্ধার, গ্রেফতার ১ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৬: ৩৩ ভোট পেয়ে টানা দ্বিতীয়বার সভাপতি মনির, সম্পাদক লিটন সারিয়াকান্দিতে এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণে জটিলতা, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত মহেড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা: চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা আলী হোসেন খান খোকনের আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি-কে মির্জাপুর ছাত্রদলের ফুলেল শুভেচ্ছা বাগমারায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: স্থানীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান নেতাদের রাজশাহীতে ৪.১৯ কোটি টাকায় উত্তরবঙ্গের প্রথম পরিবেশবান্ধব ‘গ্রীন বিল্ডিং’ নির্মাণ শুরু রাজশাহীতে সাহরা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬-এর প্রথম ধাপ শুরু ভাল মানুষ ও ভালো রেজাল্ট করে যোগ্য নাগরিক হওয়া সম্ভব: তৌহিদ আক্তার পান্না

কুড়িগ্রামে ২০টি গ্রাম প্লাবিত ও ৩৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ২৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবির্তিত রয়েছে। বন্যায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পাঠদান বন্ধ রয়েছে ৩৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, নদ-নদীর পানি কিছুটা কমলেও ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমারের পানি বইছে বিপদসীমার উপরে।

সোমবার বিকাল ৩টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার ও দুধকুমার পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এই তিনটি নদ-নদীর পানি ধীর গতিতে কমবে।

গত দু’দিনে নাগেশ্বরী উপজেলার তিনটি স্থানে বাঁধ ও সড়ক ভেঙে যাওয়ায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নাগেশ্বরী পৌর এলাকার তিনটি ওয়ার্ডে নতুন করে পানি প্রবেশ করেছে। সদর উপজেলার বাংটুরঘাট এলাকায় একটি স্পারের ১০ ফুট অংশ ধবসে গেছে।

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার ২৭৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৯টি মাধ্যমিক স্কুল, ৩৬টি মাদ্রাসা ও ৬টি কলেজে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।  জেলার ৯টি উপজেলার ১ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানিয়েছেন, সরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৯৭ টন চাল, ২১ হাজার ৩৩০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা বিতরণ চলছে। #বাসস

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট