1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আল্ট্রা মেশিন ১০ বছর ধরে অকেজো - দৈনিক সবুজ নগর
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
শ্যামনগরে জলবায়ু শিক্ষা ও আদিবাসী অধিকার বিষয়ক সচেতনতামূলক সেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে স্বচ্ছতার উদ্যোগ, দুর্নীতি রোধে একসঙ্গে কাজ করছেন চেয়ারম্যান-রেজিস্ট্রার পোরশায় উপজেলা যুবদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, তৃণমূল শক্তিশালী করার আহ্বান মির্জাপুরে নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, চলছে গণনা শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান: ৫০ পিস ইয়াবা ও ৯৮ বোতল ইস্কাফ সিরাপসহ আটক ২ শিবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পণ্য রপ্তানি বন্ধ করল ভারত বাঘায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে ২৩নং ওয়ার্ডবাসীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত গুরুদাসপুরে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ হত্যা: ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আল্ট্রা মেশিন ১০ বছর ধরে অকেজো

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩০৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মেহেরুল ইসলাম মোহন, লালপুর………………………………………………

প্রায় ১০বছর ধরে নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের আল্ট্রাসোনোগ্রাফী মেশিন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। যার ফলে উচ্চ মূল্যে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিক থেকে আল্ট্রাসোনোগ্রাফী করতে হচ্ছে রোগীদের।এতে ঔষুধ,পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ চিকিৎসার ব্যয় বাড়ছে। আর এই খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন রোগীরা।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সাল থেকে লোকবল সংকট জনিত কারণে দীর্ঘ দিন ব্যবহার করা হয়নি আল্ট্রাসোনোগ্রাফী মেশিন। এতে সফটওয়্যার জনিত সমস্যায় দিনে দিনে অকেজো হয়ে পড়ে মেশিনটি। এরপর বিভিন্ন সময় ইঞ্জিনিয়ার ডেকেও আল্ট্রাসোনোগ্রাফী মেশিনটি সচল করা যায়নি।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ রোগী চিকিৎসা সেবা নেয়। সে হিসেবে বছরে অন্তত ১ লক্ষাধিক রোগী চিকিৎসা নেয়। এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ১০/১২ জন রোগীকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু ১০ বছর ধরে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন বিকল। এসব কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে পরীক্ষা করাতে পারেননি অনন্ত ৫০ হাজার রোগী।

 

অন্যদিকে,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আল্ট্রা করতে সরকারি ফি ২০০ টাকা। কিন্ত একই পরীক্ষা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করতে খরচ হয় ৫০০/৭০০ টাকা। গত ১০ বছরে ৫০ হাজারের বেশি রোগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসব পরীক্ষা করালে সরকার রাজস্ব পেত অন্তত ১ কোটি টাকা। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসব পরীক্ষা করাতে রোগীদের খরচ হয়েছে তার দুই-তিন গুন বেশি ।

 

এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাঃ সুরুজ্জামান শামীম বলেন, আল্ট্রাসোনোগ্রাফী মেশিন সফটওয়্যার জনিত সমস্যার কারণে অকেজো হয়ে আছে। এতে ভুল রিপোর্ট দেয়। টেকনিশিয়ান এনে দেখানো হয়েছে তারা মেরামত করতে পারেনি। বিষয়টি উর্ধ্বতন কতৃৃর্পক্ষকে জানানো হয়েছে।

 

নাটোর জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ রোজি আরা বেগম বলেন, আল্ট্রাসোনোগ্রাফী মেশিন সচল করতে সংশ্রিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উর্ধ্বতন কর্ৃপক্ষের কাছে আল্ট্রাসোনোগ্রাফী মেশিনের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুতই সমস্যা সমাধান হবে। জনবল সংকটের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আল্ট্রার জন্য আপতত কোন চিকিৎসক লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেই। আমাদের চিকিৎসকদের মধ্যেই যারা আল্ট্রা করতে পারে তাদেরকে দিয়েই আল্ট্রা করানো হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট