1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহী মহানগরীকে অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
দেবহাটায় ‘স্ববল’ প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও গাছের চারা বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে বিদেশ ফেরতদের স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত ভূমিসেবায় হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধের নির্দেশ রাজশাহী জেলা প্রশাসকের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে ৪৫ দিনব্যাপী নিয়মিত ইমাম প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে তিন দোকান ভস্মীভূত, ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় রক্ষা ৫ লাখ টাকার মালামাল চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রলির ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে শিক্ষিকা নিহত, ভাই আহত রাজশাহী মহানগরীকে অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন কুষ্টিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় অটোরিকশা যাত্রী নিহত, আহত ৪ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুর সুস্থতা কামনায় পত্নীতলায় দোয়া মাহফিল রংপুরে ১২ হাজার ও ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

রাজশাহী মহানগরীকে অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীকে অবৈধ দখলমুক্ত করে নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। ফুটপাত দখলমুক্ত করার চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বেশ কিছু এলাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজারস্থ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

চলমান উচ্ছেদ অভিযান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

রাসিক প্রশাসক জানান, নাগরিকদের চলাচলের পথ সুগম করতে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ভদ্রা, মহিলা কলেজ রোড এবং মেডিকেলের সামনের একাংশে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। খুব দ্রুতই লক্ষ্মীপুর, জিরোপয়েন্ট, সোনাদিঘি মোড়, রেলগেট ও গণকপাড়াসহ অন্যান্য ব্যস্ত এলাকার ফুটপাতগুলোও দখলমুক্ত করা হবে। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসন ভাবনা

উচ্ছেদ কার্যক্রমের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের জীবনজীবিকার কথা মাথায় রেখে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা চলছে।

পরিদর্শনকালে প্রশাসক সাহেব বাজার কাঁচা বাজার, মাছপট্টি, মাংসপট্টি, কসাইখানা এবং মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত বিভিন্ন পরিত্যক্ত দোকান ঘুরে দেখেন। বিশেষ করে সাহেব বাজার কাঁচাবাজার ও মাছপট্টির দ্বিতীয় তলায় অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা ৮৯টি দোকান পরিদর্শন করে তিনি জানান, এসব দোকান ও সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে সেগুলোকে কার্যকরভাবে ব্যবহার উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। মার্কেটটি নতুনভাবে নির্মাণ কিংবা আধুনিকায়ন করা যায় কি না, সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রশাসকের হুঙ্কার: হুমকিতে ভীত নন

উচ্ছেদ কার্যক্রম চালাতে গিয়ে বিভিন্ন বাধা ও হুমকির সম্মুখীন হওয়ার কথা জানিয়ে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “ফুটপাত দখলমুক্ত করতে গিয়ে আমি বাধাগ্রস্ত হচ্ছি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি পাচ্ছি। তবে এসব হুমকিতে আমি ভীত নই। আমার জীবন থাকা পর্যন্ত আমি রাজশাহীকে গোছাবো।”

তিনি আরও যোগ করেন, “রাজশাহী মহানগরীকে শুধু নামেই নয়, বাস্তব অর্থেই ক্লিন ও গ্রিন সিটিতে পরিণত করতে চাই। মহানগরীকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। বর্তমান সরকার শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হয়ে আমিও কথা নয়, কাজে বিশ্বাসী।” সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজশাহী নগরীকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, দখলমুক্ত, বাসযোগ্য, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Open photo

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

পরিদর্শন ও কার্যক্রমে রাসিকের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন:

  • রাসিক কর্মকর্তা: সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. নূর-ঈ সাঈদ, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মাহমুদুর রহমান ইমন ও নিলুফার ইয়াসমিন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পরিকল্পনা) জসীম উদ্দীন আরজু, রাজস্ব কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন খোকন এবং উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জুসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

  • স্থানীয় নেতৃবৃন্দ: চন্দ্রিমা থানা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম জনি, মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মুঈদুর রহমান মুঈদ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বিপ্লব, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবার আলী জ্যাকি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান সৌরভ, ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ শান্ত এবং মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবিরসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট