1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পত্নীতলায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার  আসামী ঢাকা থেকে গ্রেফতার, বিস্ফোরক  দ্রব্য ও হিরোইন উদ্ধার   ফারাক্কার লংমার্চের ৪৯ বছর পরও  চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা নদী যেন শুকনা চর শিবগঞ্জের  ৫৬ কমিনিটি ক্লিনিকে  ৯মাস থেকে ঔষধ বন্ধ, ভোগান্তিতে সেবা গ্রহিতরা   সরকারের ভিজিএফের চাল পেয়ে দুস্থ পরিবারগুলো আনন্দে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন: ফজলুল হক মিলন এমপি রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় রাজশাহীতে পরিবহন মালিক পরিবারের মাঝে মরনোত্তর সহায়তার চেক বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশুশিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, জেলাজুড়ে ক্ষোভ; মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার বিএনপি এখন বহিরাগত অপশক্তির হাতে জিম্মি: বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার কৃষকের মুখে হাসি ফুটাতে আত্রাইয়ে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

তানোরে ঝড় বৃষ্টিতে ঘরে তোলার আগেই নুয়ে পড়েছে ধানগাছ: দিশেহারা কৃষক

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# মমিনুল ইসলাম মুন, বিশেষ প্রতিনিধি: বৈরী আবহাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে রাজশাহীর তানোরে আমন মৌসুমের পাকা ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ক্ষতির মুখে পড়েছে শীতকালীন আগাম শাকসবজি ও অন্যান্য রবি ফসল। ফলে মাঠে মাঠে এখন দিশেহারা কৃষক।

শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে হঠাৎ শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে অনেক আমনক্ষেতের পাকা ও আধা-পাকা ধানগাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে। এর সঙ্গে আগাম বাঁধাকপি, মুলা, ফুলকপি, লাউ ও টমেটো খেতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, ঘরে তোলার ঠিক আগমুহূর্তে ধানগাছ মাটিতে পড়ে যাওয়ায় ধান পচে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় ইতিমধ্যে পোকামাকড়ের আক্রমণও দেখা দিয়েছে। কামারগাঁ ইউনিয়নের কৃষক সুমন আলী বলেন, গত দুই দিন ধরে ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় ধানগাছ মাটিতে পড়ে গেছে। এখন ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। একই এলাকার কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, গত বছর ধানের দাম না পেয়ে হতাশ হয়েছিলাম। এবার কিছুটা আশায় ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে প্রায় সব ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এ যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা।

বাধাইড় ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের কৃষক আনারুল ইসলাম বলেন,ঝড় ও বৃষ্টির কারনে আমার দুই বিঘা জমির ধান একেবারে শেষ হয়ে গেছে। কৃষক আয়ুব আলী ও আব্দুল আলী জানান, আগে এক একর জমিতে প্রায় ৫০ মণ ধান পাওয়া যেত। এবার হয়তো ৩০ মণও মিলবে না। অনেক এলাকায় শিব নদীর পাড় ও নিচু জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তানোর উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২২ হাজার ৬৩৫ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাত ২৮ হেক্টর, উফশী জাত ২২ হাজার ১১৭ হেক্টর এবং দেশি জাতের ধান চাষ হয়েছে ৫৫০ হেক্টর জমিতে। চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬০ হাজার ২৯৮ মেট্রিক টন।

উপজেলার স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত স্বশিক্ষিত কৃষি বিজ্ঞানী নূর মোহাম্মদ বলেন, রোপা আমনের শুরুতেই কৃষকরা বৃষ্টি ও সার-সিন্ডিকেটের সমস্যায় ভুগেছেন। এখন মৌসুমের শেষপ্রান্তে এসে ঝড়-বৃষ্টিতে ধান নুয়ে পড়ায় উৎপাদন কিছুটা হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল গ্রহণ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট