1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ঠাকুরগাঁওয়ে প্রিজাইডিং অফিসার হত্যা মামলায় বিএনপির ১২৩ জন খালাস - দৈনিক সবুজ নগর
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পোরশায় মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত ‘জামতলা হোটেল’: ১৪ পরিবারের জীবিকার প্রদীপ মোংলা ভাইপোরশায় মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত ‘জামতলা হোটেল’: ১৪ পরিবারের জীবিকার প্রদীপ মোংলা ভাই বাগমারায় সহকারী শিক্ষককে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন দেবহাটায় অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণদেবহাটায় অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বাঘায় নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব পালনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত: এমপি চাঁদের অনুদান ও কড়া বার্তা রূপসায় সাপের কামড় ও ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু, দুই মাসের ব্যবধানে মা হারালেন স্বামী ও সন্তান রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে রাজশাহী তায়কোয়ানডো একাডেমির সৌজন্য সাক্ষাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ধার ৩০টি হারানো মোবাইল হস্তান্তর করলেন পুলিশ সুপার মা ইলিশ রক্ষায় আজ মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা: অনিশ্চয়তায় ভোলার ২ লাখ জেলে লালপুরে ছেলেকে মেয়ে সাজিয়ে ইতালি প্রবাসীর সাথে অনলাইনে বিয়ে দিয়ে অর্থ হাতানোর দায়ে প্রতারক বাপ-বেটা আটক

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রিজাইডিং অফিসার হত্যা মামলায় বিএনপির ১২৩ জন খালাস

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ছেপড়িকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার জবায়দুর রহমান হত্যার মামলায় বিএনপির ১২৩ জন নেতাকর্মীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সমরেশ শীল আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ওই ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার জবায়দুর রহমান। ভোট চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান। ঘটনার পর পুলিশ কনস্টেবল জাহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে বিএনপির স্থানীয় ১২৩ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২শ’ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের আগস্টে সদর থানার এসআই আব্দুল মান্নান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল হালিম বলেন, “এটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মামলা। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ায়। কোন সাক্ষীই অভিযোগের পক্ষে কথা বলেননি, এমনকি বাদীও নয়।” তিনি আরও বলেন, “১১ বছর ধরে আসামিরা হয়রানি ও ঘরছাড়া জীবন কাটিয়েছেন। আজকের রায়ে সত্যের জয় হয়েছে।”

সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ অভিযোগ বলেন “মূলত পুলিশের গুলিতেই ওই কর্মকর্তা নিহত হন। পরে তৎকালীন সরকার আমাদের নেতাকর্মীদের ফাঁসিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চেয়েছিল। এই মামলায় প্রায় সবাই জেল খেটেছেন। অবশেষে সত্যের বিজয় হয়েছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট