1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাজশাহীতে প্যারাকুয়েটসহ ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক নিষিদ্ধের দাবীতে মানববন্ধন শ্যামনগরে ঝুুরঝুরি খালে নেই পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা’ জলাবদ্ধতায় স্থানীয় বাসিন্দা সহ হাজার বিঘা ধাণী  জমি স্বামীর ঘর ছেড়ে দুই সন্তান নিয়ে পালালেন গৃহবধূ, থানায় অভিযোগ তানোরে জমি নিয়ে সংঘর্ষের অভিযোগ লোহার সাবলের আঘাতে দু’জন আহত, পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ প্রেসক্লাবের সভাপতির দোয়ার ব্যানারে রাজনীতি ব্যবহারে রাজশাহীর সাংবাদিকতায় বিতর্ক নওগাঁ কি তার শতবর্ষের পরিচয় হারাবে?—রাজশাহীতেই থাকুক নওগাঁ শ্যামনগরে ঝুরঝুরি খালে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই, জলাবদ্ধতায় হাজার বিঘা কৃষিজমি তলিয়ে, চরম দুর্ভোগে কৃষক ও মুন্ডা সম্প্রদায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ প্রমানে রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত মির্জাপুরে  প্রবাসীর স্ত্রী মোর্শেদা আক্তারকে শারীরিক নির্যাতনও ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যু বাঘায় ঘুষির আঘাতে ঘরের দেয়ালে ধাক্কায় প্রাণ হারালো বৃদ্ধ

ঢলন প্রথার ফাঁদে আম বিক্রেতারা,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষিত

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ৭৭৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ আব্দুল বাতেন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট আম হাট বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার। এই হাটে প্রতিদিন প্রচুর আম কেনাবেচা হয়। কিন্তু এখানকার আড়ৎদাররা দীর্ঘদিন ধরে ঢলন ও শোলা প্রথার নামে আমচাষিদের ঠকিয়ে আসছে। প্রশাসন একাধিকবার বৈঠক করেও এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি। কানসাট আম বাজারের শতাধিক আড়ৎদার নিজেদের মতো করে আম কেনাবেচার নিয়ম চালু করেছেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে কেজি দরে আম কেনার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানছেন না আড়ৎদাররা। নির্দেশনা অনুযায়ী ৪০ কেজিকে এক মণ ধরা হলেও, তারা প্রতি মণ কিনছেন ৫০ থেকে ৫২ কেজি পর্যন্ত। এতে চাষিদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১০-১২ কেজি আম—যা ঢলন হিসেবে নেওয়া হয়।

কানসাট আমহাটে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় ফড়িয়া ও আড়ৎদার। তারা চাষিদের কাছ থেকে আম কিনছেন নিজেদের নিয়মে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কার্যত উপেক্ষিত। স্থানীয় আমচাষিরা বলছেন, আমরা একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছি। ঢলনের নামে আমাদের থেকে অতিরিক্ত আম নেওয়া হচ্ছে। এতে আমাদের লাভের বদলে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে। আড়ৎদারদের ভাষ্য, আম পচনশীল পণ্য। অনেক সময় আম পচে যায় বা ছোট আম বের হয়, তাই ঢলন নিতে হয়।

বিষয়টি নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আজহার আলী বলেন, “এখনো পর্যন্ত কেউ অতিরিক্ত ঢলন নেওয়ার লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” চাষি ও বিক্রেতারা বলছেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকলে ঢলনের নামে তাদের ঠকানো বন্ধ হবে না। বাজারে কেজি দরে সঠিকভাবে আম বিক্রির পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট