1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ঢাকাসহ সারাদেশের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন নেহেরিন মোস্তফা (দিসি) সৌদির সাথে মিল রেখে শিবগঞ্জে কিছু কিছু এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় ঈদের আনন্দে সম্প্রীতির বার্তা: শিবগঞ্জ ও শ্যামপুরবাসীকে আলমগীর জুয়েলের আন্তরিক শুভেচ্ছা শিবগঞ্জে আবারো সড়ক দূর্ঘটনা, নিহত ১ শিশু, আহত  ৬ ডিজির নির্দেশে ঈশ্বরদীর ইক্ষু গবেষণাগারে গুড় উৎপাদন ও অনিয়মের অভিযোগ শিবগঞ্জে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান অবরুদ্ধ  শিবগঞ্জে দেড় শতাধিক পরিবার পেল খাদ্য সামগ্রী  পত্নীতলায় সাংবাদিকদের ইফতার মাহফিল উন্নত রাজশাহী গড়ার প্রত্যয়ে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত সকাল সাড়ে ৭ টায় ‎ ‎ ‎

ছবিমুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়নের দাবিতে রাজশাহীতে নারীদের সমাবেশ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৥ নাজিম হাসান,রাজশাহী :
নারীকে বেপর্দা করে নয়,একমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে ছবিমুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়নের দাবীতে মানববন্ধন করেছে মহিলা আনজুমান রাজশাহী জেলা ও মহানগর মজলিস।  বুধবার বেলা ১২টার সময় রাজশাহী নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে বিক্ষোভ মিছিল করে।
ছবিমুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্র দাবিকরা পর্দানশীন নারীরা বলেন,শুধুমাত্র পরিপূর্ণ পর্দা করার কারণে পর্দানশীন নারীরা বৈষম্যের শিকার। গত ১৬ বছর যাবৎ অসংখ্য পর্দানশীন নারীর নাগরিকত্ব আটকে রাখা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও করা হচ্ছে বঞ্চিত। পরিচয় যাচাইয়ে জোর করে বেগানা পুরুষের সামনে চেহারা খুলতে বাধ্য করা হচ্ছে। পর্দনাশীন নারীরা এসব হেনস্তার অবসান চান। চেহারার বদলে তারা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের দাবি তোলেন।
তারা বলেন, একজন নারী ছবি তুললে দুটি গুনাহ হয়। একটি ছবি তোলার গুনাহ, অন্যটি বেপর্দা হওয়ার গুনাহ। আবার ওই ছবিটি পরবর্তীতে যতজন বেগানা পুরুষ দেখবে বেপর্দা হওয়ার গুনাহ তত বাড়তেই থাকবে। এমনকি মৃত্যুর পরও ওই ছবির কারণে বেপর্দার গুনাহ জারি থাকবে। পর্দানশীন নারীরা সেই গুনাহ থেকে বাঁচতে চান।
সমাবেশে পর্দানশীন নারীরা তিনটি দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো- বিগত ১৬ বছর যে সমস্ত সাবেক ইসি কর্মকর্তা পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব আটকে রেখে মানবাধিকার বঞ্চিত করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা, পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় ও গোপনীয়তার অধিকার অক্ষুন্ন রেখে অবিলম্বে এনআইডি ও শিক্ষা অধিকার প্রদান করা; সকল ক্ষেত্রে পরিচয় সনাক্তে চেহারা ও ছবি মেলানোর পদ্ধতি বাতিল করে আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করা এবং পর্দানশীন নারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় কোনো পুরুষ নয়, নারী সহকারী বাধ্যতামূলকভাবে রাখার ব্যবস্থা করা।
সমাবেশ শেষে পর্দানশীন নারীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং জেলা ও বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি দেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট