1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ধুপি পিঠার ধুম পড়েছে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে। - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
আত্রাইয়ে হাটকালুপাড়া-কালিকাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কাজীহাটা ১ নং পুরাতন জামে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীর বিদায়ী বিভাগীয় কমিশনারকে রাসিকের বিদায় সংবর্ধনা রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সরকারি রাস্তা কেটে পাইপ স্থাপন, শ্যামনগরে ভেটখালী উত্তর পাড়ায় যেন মরণফাঁদ রূপসায় উপজেলা ইজিবাইক মালিক এবং শ্রমিক সমিতির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত আয়ান শর্মা একা নন, পাশে আছেন শত শত সাংবাদিক, চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পরকীয়ার অভিযোগে এক বাসা থেকে বিদ্যালয়েয় আয়া- প্রধান শিক্ষক আটক, আদালতে সোপর্দ সাতক্ষীরায় তেল-গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জেলা গণসংহতি আন্দোলনের মানববন্ধন  তারেক রহমানের ভারত সফর এখনো অনিশ্চিত—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন হয়নি?

ধুপি পিঠার ধুম পড়েছে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে।

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৥ আঃ রহমান মানিক সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার….
পৌষ মাঘে শীত জমে বসে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে। বাড়ি বাড়ি শুরু হয়ে যায় ঢেঁকি কুটা আটা দিয়ে শীত কালিন শীতের পিঠা পুলি তৈরী মেয়ে জামাইকে দাওয়াত দিয়ে শীতের পিঠা না খাওয়ালে যেন বড় একটি কর্মসূচি পালনই হয়না। সকল জামাই মেয়ে শীতের পিঠার দাওয়াতের জন্য শ্বশুর বাড়ির দিকে চাতকের মত চেয়ে থাকে। মেয়েরা বার বার ফোন করে মায়ের কাছে কখন তারা দাওয়াত দিবে। অনেক দিন হলো মায়ের বাড়ি যাওয়া হয়নি। পিঠা খাওয়ার দাওয়াতে কদিনে বেড়িয়ে আসা হবে।আর যাদের মা বাবা নেই তারা নিরবে চোখের জলে বুক ভাসায়। স্বামী
ধনকে চোখে জলে শান্তনা দেয়। তেমনি এক হতভাগী মেয়ে সাকিলা। বাবার বাড়ি সে ভালোই ছিল। দু’বছর হলো বাবা মারা গিয়ে এতিম হয়ে গেছে। দুবোনকে নিয়ে তার মা অতি কষ্টে সংসার চালাই।সাকিলা গ্রামের স্কুলে ক্লাস অষ্টম শ্রেনীতে। এমন সময় তার বিয়ে হয়।এত অল্প বয়সে সে কিছুই বুঝতে পারেনা।তবে তার শ্বাশুড়ি তাকে অনেক ভালোবাসে তাই কিছু বুঝতে দেয়না।এমন কত দুঃখী সংসার যে আছে।
বরেন্দ্র অঞ্চলের গ্রামে পাড়ায় পাড়ায় ঢেঁকিতে চলে ধুপ ধাপ আটা কুটার শব্দ। রাতে চলে শীতের পিঠা তৈরির আসর। বাড়ির বারান্দায় বসে মেয়েরা সারা রাত মনের আনন্দে নানা রকম পিঠা পুলি তৈরী করে।তানোর,নাচোল,নিয়ামতপুরের গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে দিনে ঢেঁকিতে আটা কুটা এবং রাতে শীতের পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন গ্রামের গৃহবধূরা। অনেক দরিদ্র নারীরা সকাল সন্ধ্যায় গ্রামের মোড়ে মোড়ে ধুপির জমজমাট ব্যাবসার পশারী নিয়ে বসে।এদিয়েই চলে তাদের জীবন। বর্তমানে শহরেও এ পেশায় জড়িয়ে ছে শহরের গরীব মেয়েরা।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট