1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ঘূর্ণিঝড় রিমালের তান্ডবে ভোলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
কাগজের চিরকুট’: এক অবিনাশী স্বপ্নের পুনর্জন্ম ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল রাজশাহীর বাঘায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু, প্রধান আকর্ষণ লক্ষ টাকার প্রাইজমানি মা ইলিশ সংরক্ষণের প্রথম দিনেই বাঘায় ২ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি ভূমিমন্ত্রী আত্রাইয়ে ভিডিপির ১০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা চালিয়েছে ‘ছোট ভাই’: ছাত্রদল নেতা নিশাত রামেবি ভিসিকে অবরুদ্ধের পর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কাটা হলো ঘরের তালা ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের প্রথম দিনেই ৬ হাজার মিটার জাল জব্দ শিবগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তিতে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তান্ডবে ভোলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪
  • ২৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সবুজনগর ডেস্ক: জেলায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তান্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনজনের প্রাণহানিসহ বহু বাড়িঘর, কাঁচা-পাকা সড়ক, মাছের পুকুর, ঘের, গবাদি পশু, ক্ষেতের ফসলসহ প্রচুর গাছপলার ক্ষতি হয়েছে। অতি জোয়ারের পানিতে বন্দী হয়ে আছে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মনপুরা উপজেলায়। ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান আজ দুপুরে বাসসকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘূর্ণিঝড়ে জেলায় সব মিলিয়ে ৭ হাজার ৪৬৫টি বাড়ি-ঘর আংশিক ও সম্পূর্ণ  ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ঘরবাড়ি আংশিক ও ২ হাজার ৪৬৫ টি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিতে ভেসে গেছে ৫ হাজার ৮৬০ টি পুকুর ও ৯৫০টি মৎস্য ঘের। ক্ষতি হয়েছে ১০ হাজার ৭৯১ হেক্টর জমির সবজি ও আউশ এবং বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে ১৪ হাজার ১০১ হেক্টর জমির। ৪৫ কিলোমিটার গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক ক্ষতি হয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মনপুরা উপজেলায়। এছাড়া চরফ্যাশনসহ অন্যান্য উপজেলাতেও ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে ঢালচর, চর কুকরি মুকরি, চরপাতিলা, চর নিজাম, মাঝেরচর, চর চটকিমারাসহ বিভিন্ন নি¤œচল প্লাবিত হয়েছে। যদিও ভাটার সময় পানি নেমে যায়। পানির চাপে গতকাল বিকেলে মনপুরা উপজেলার সাকুচিয়া এবং হাজিরহাট পয়েন্টের বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। বাঁধের সংস্কার কাজ চলছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত দুর্গত মানুষের জন্য ৩৭৫ টন চাল, নগদ ১৮ লাখ টাকা, শিশু খাদ্য, গো-খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। এই দুর্যোগে দুর্গত মানুষের পাশে প্রশাসন কাজ করছে। সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।
ভোলা বিআইডব্লিউটিএ’র সহকারী পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় দুইদিন বন্ধ থাকার পর আজ দুপুর থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল শুরু হয়।
এদিকে জেলায় ঘূর্ণিঝড় রিমেলের তা-ব শেষ হলেও এর প্রভাব রয়ে গেছে। সকাল থেকেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে রয়েছে। কখনো গুড়ি গুড়ি  আবার কখনো মুষলধারে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। একই সাথে থেমে-থেমে বইছে ঝড়ো হাওয়া।  সকাল থেকেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। মোবাইল ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক গতি ফিরে পাচ্ছে। উত্তাল মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।# বাসস

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট