1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীতে যুবককে নির্যাতনে গ্রেপ্তার দু'জনের একজনকে থানা থেকেই জামিন - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে শেকেরচক মহলদারপাড়া মসজিদ কমিটির সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ভোলাহাটে পারিবারিক কলহের জেরে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু ডেঙ্গুমুক্ত খুলনা গড়তে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডিজেল রপ্তানি বন্ধের পথ থেকে সরল যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ায় প্লেগে ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানের মৃত্যু, আইসোলেশনে ২০০ জন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তৃতীয় কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল নয়: দিনেশ ত্রিবেদী নাটোরে ৩ পাখি শিকারির কারাদণ্ড ও জরিমানা, ৫০টি বক অবমুক্ত পত্নীতলায় অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১ লাখ টাকা জরিমানা ডেঙ্গু মুক্ত রাজশাহী গড়তে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাজশাহীতে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

রাজশাহীতে যুবককে নির্যাতনে গ্রেপ্তার দু’জনের একজনকে থানা থেকেই জামিন

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ১৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: রাজশাহী মহানগরীতে চুরির অপবাদে এক যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে আরএমপির মতিহার থানা পুলিশ। তবে মামলার একজন আসামিকে থানা থেকেই জামিন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অপর আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এবং মুল আসামীরা ধরা ছোয়ার বাহিরে রয়েছে। পুলিশ এখন পযন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি তাদেরকে। এর আগে রোববার (১০ মে) নগরীর মতিহার থানা এলাকায় তুষার (১৮) নামে এক যুবককে নির্যাতনের পর ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি নগরীর কাজলা বিলপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। ওই ঘটনায় তাঁর বাবা নাজির আলী সোমবার (১১ মে) মতিহার থানায় একটি মামলা দায়ের করলে ৪ ও ৫ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Open photo

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, মতিহার থানার বাজে কাজলা এলাকার মুহিন (১৮) এবং একই থানার ধরমপুর (দক্ষিণপাড়া) এলাকার এজাজুল হকের ছেলে আলী হাসান মো. মুজাহিদ (২২)। মামলার অন্য আসামিরা হলেন শামীম (৫৫), হৃদয় (২২) ও আশিক (২২)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজনকে আসামি করা হয়েছে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গাজিউর রহমান জানান, আলী হাসান মো. মুজাহিদের নাম এজাহারে থাকলেও তদন্তে তাঁর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া তাঁর এসএসসি পরীক্ষা চলমান থাকায় বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে থানা থেকেই তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (ক) ধারায় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া অন্য আসামি মুহিনকে মঙ্গলবার (১২ মে) আদালতে পাঠানো হলে তাঁকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক। বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মুজাহিদকে ছাড়া প্রসঙ্গে উপ-কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, যে কোনো মামলার আসামিকেই থানা থেকে জামিন দিতে পারেন ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)। আইনে ওসিকে এই ক্ষমতা দেওয়া আছে। এটি পুলিশের এখতিয়ার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত শনিবার (৯ মে) রাতে হৃদয়সহ কয়েকজন তুষারের বাড়িতে গিয়ে তাঁর খোঁজ করেন। এ সময় তুষার বাড়ি নেই বলে জানান তাঁর বাবা নাজির আলী। পরে তুষারকে পেলে সবকিছু বোঝানো হবে বলে হুমকি দেন অভিযুক্তরা। এমনকি কোনো ধরনের তদবির না করার কথাও বলে যান তাঁরা। এর পরদিন সকালে হৃদয়ের বাড়িতে গিয়ে আগের দিন খোঁজার কারণ জানতে চান তুষার। এ সময় সেখানে উপস্থিত কয়েকজন তাকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর শুরু করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা গুরুতর অবস্থায় তুষারকে উদ্ধার করে। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা প্রদান করেন। এবং চিকিৎসা শেষে সোমবার রাতে হাসপাতাল থেকে তিনি বাড়ি ফেরেন।

উল্লখ্যে, চুরির অপবাদে মাজায় দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা যুবক তুষারকে গাছে বেঁধে ৪৫ সেকেন্ডে ১৪ বার লাঠির আঘাত করা হয়েছে। নির্যাতনের সময় তুষার চিৎকার করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, হৃদয় একটু দাঁড়াও ভাইয়া। কিন্তু এরপরও তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট