1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
মির্জাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত আবাসন: দুই দশক ধরে অবহেলা, মাদক ও অপরাধের আস্তানা - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে ইটভাটা ব্যবসায়ীর মৃত্যু, স্ত্রী-সন্তানরাও আক্রান্ত নাচোলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরণ নরসিংদীর শিবপুরে ৩ ফার্মেসিকে জরিমানা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ মির্জাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত আবাসন: দুই দশক ধরে অবহেলা, মাদক ও অপরাধের আস্তানা কমলাপুরে যাত্রীদের টাকা ছিনতাই: দুই মলম পার্টি সদস্য গ্রেপ্তার মির্জাপুরে দুর্গামন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর: গ্রেপ্তার ১ রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে শেকেরচক মহলদারপাড়া মসজিদ কমিটির সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ভোলাহাটে পারিবারিক কলহের জেরে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু ডেঙ্গুমুক্ত খুলনা গড়তে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডিজেল রপ্তানি বন্ধের পথ থেকে সরল যুক্তরাষ্ট্র

মির্জাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত আবাসন: দুই দশক ধরে অবহেলা, মাদক ও অপরাধের আস্তানা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মো. সাইফুল ইসলাম শান্ত, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পাশে দীর্ঘ দুই দশক ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে রেলওয়ের আবাসিক ভবনগুলো। দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনগুলো এখন জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। দিনের বেলায় অনেকটা নীরব থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর এসব পরিত্যক্ত স্থাপনা মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আনাগোনায় সরব হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

জরাজীর্ণ ভবন ও মাদকসেবীদের আনাগোনা

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে রেলওয়ের এসব আবাসন পরিত্যক্ত পড়ে থাকায় ভবন ও আশপাশের জায়গা ঝোপঝাড়ে ঢেকে গেছে। কোনো কোনো কক্ষের দরজা-জানালা ভেঙে যাওয়ায় সহজেই সেখানে প্রবেশ করা যায়। ফলে নির্জনতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন বয়সী লোকজন সেখানে আড্ডা বসায়। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায় বলে স্থানীয়দের দাবি।

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে যাত্রী ও এলাকাবাসী

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে নিয়মিত নজরদারি না থাকায় সেখানে নানা ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এতে রেলস্টেশন এলাকায় যাত্রী, পথচারী এবং আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের আবাসনগুলো এভাবে পড়ে আছে। আগে এখানে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাস ছিল। বর্তমানে ভবনগুলো ব্যবহার না হওয়ায় ধীরে ধীরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবনগুলো আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ” সন্ধ্যার পর পরিত্যক্ত ভবনগুলোর আশপাশে অপরিচিত লোকজনের চলাচল দেখা যায়। এসব স্থানে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত পুলিশি নজরদারি প্রয়োজন। পাশাপাশি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষেরও দ্রুত পরিত্যক্ত ভবনগুলো সংস্কার, অপসারণ অথবা কার্যকর ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”

সমন্বিত উদ্যোগের দাবি সচেতন মহলের

স্থানীয়দের মতে, রেলওয়ের জায়গা ও স্থাপনাগুলো দীর্ঘদিন অব্যবহৃত পড়ে থাকলে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি অপরাধীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিত্যক্ত আবাসনগুলো দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ, নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি এবং মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

দীর্ঘ দুই দশক ধরে পড়ে থাকা এসব রেল আবাসন কবে সংস্কার বা পুনঃব্যবহারের আওতায় আসবে—এখন সেটিই স্থানীয়দের প্রশ্ন। একই সঙ্গে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট