1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বৃষ্টির প্রার্থনায় ‘ইস্তিসকার’ নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত  - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
নরসিংদীর শিবপুরে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিল ও প্রাইভেটকারসহ আটক ১, পলাতক ৩ কালীগঞ্জে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে ফুটবল ফাইনাল অনুষ্ঠিত: সবুজ দলকে হারিয়ে লাল দল চ্যাম্পিয়ন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি: পৌরসভাকে রেড জোন ঘোষণার দাবি রাসিক পরিচালিত সিটি হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, অত্যাধুনিক হাসপাতাল করার আশ্বাস রাজশাহীতে ৩১তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র টেনিসের পর্দা নামল: চ্যাম্পিয়ন লিকুল পুঠিয়ায় ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজশাহীতে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস পালিত: পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতামূলক সভা কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত, বিজিবির ফাঁকা গুলি মাদক উদ্ধারে নওগাঁয় শ্রেষ্ঠ পোরশা থানা: সাফল্য উদযাপনে ‘টিম পোরশা’ মির্জাপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: মাপজোক ও সালিশের পরও অমীমাংসিত সীমানা জটিলতা

বৃষ্টির প্রার্থনায় ‘ইস্তিসকার’ নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত 

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# বিশেষ প্রতিনিধি………………………………………………….

তীব্র দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে এবং বৃষ্টির প্রত্যাশা করে রাজশাহীর বাঘায় ‘ইস্তিসকার’ নামাজ আদায় করেছেন স্থানীয়রা। নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ মোনাজাত।

আব্বাস উদ্দীন আহমদ এর গানের সুরে পাড়ার ছেলেরাও প্রার্থনা করছে-বেলা দ্বি-প্রহর,ধু-ধু বালুচর,ধূপেতে কলিজা ফাটে,পিয়াসে কাতর,আল্লাহ, মেঘ দে,আল্লাহ পানি দে,ছায়া দেরে তুই আল্লাহ, আল্লাহ, মেঘ দে,পানি দে। ফাডা ফাইট্টা ফাইট্টা রইছে যত খালা-বিলা-নদী,পানির লাইগা কাইন্দা ফিরে পঙ্খী জলধি,আল্লাহ, মেঘ দে, পানি দে, ছায়া দেরে তুই আল্লাহ। পানির প্রত্যাশায় ছিন্নি মানত করছেন নারিরাও ।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ৯টায় উপজেলার শাহদৌলা সরকারি কলেজ মাঠে খোলা আকাশের নিচে তীব্র দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে এবং বৃষ্টির প্রত্যাশা করে ‘ইস্তিসকার’ নামাজ এর আয়োজন করা হয়। এতে বাঘা পৌরসভা ও উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন। নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বাঘা শাহী মসজিদেও পেশ ইমাম মুফতি আশরাফ আলী।

স্থানীয়রা জানান, দিনের পর দিন বাঘা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানির হাহাকার বাড়ছে। স্যালোচালিত কিংবা হস্তচালিত নলকূপে পানি উঠছেনা। পানি সংগ্রহে ভিড় বাড়ছে সাব মার্সেবল টিউবওয়েলে। প্রায় একমাস ধরে বৃষ্টির দেখা নেই। নদী- নালা, পুকুর শুকিয়ে গেছে। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানি উঠছে না অগভীর নলকূপ ও সেচ পাম্পেও। তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠছে। মাঠে রোদে পুড়ে কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষ রোদে বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না। পানি পাওয়া যাচ্ছে, এমন স্থানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। পানি সংকটে পুকুরে গিয়ে গোসল করছেন এলাকার অনেক মানুষ । এমন পরিস্থিতিতে তারা বৃষ্টির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনার আয়োজন করেছেন।

মুফতি আশরাফ আলী জানান, বৃষ্টি না হলে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) সাহাবীদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইস্তিসকা নামাজ আদায় করতেন। এজন্য তারা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে তওবা করে ও ক্ষমা চেয়ে ২ রাকাত নামাজ আদায় করে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেছেন।

স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা সুরুজ্জামান জানান,নামাজে সবাইকে অংশ নেওয়ার জন্য আগে থেকেই মাইকে প্রচার করা হয়েছিল। উপস্থতি ছলিনে, উপজলো পরষিদ চযে়ারম্যান জলো আওয়ামীলীগরে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকটে লায়বে উদ্দনি লাভলু, বাঘা পৌরসভার মযে়র জলো আ’লীগরে সদস্য মোঃ আক্কাছ আলী, বাজুবাঘা ইউপরি সাবকে চযে়ারম্যান খন্দকার মনোয়ারুল ইসলাম মামুন, অধ্যক্ষ নসমি উদ্দনি, আওয়ামীলীগ নতো কামাল হোসনে,সততা র্ফানচিার গ্যালাররি স্বত্বাধকিারী হাচানুর আলম মৃদুলসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

বাঘা পৌরসভার বাজুবাঘা গ্রামের গৃহবধূ হালিমা বেগম বলেন, তার বাড়িতে বসানো টিউবওয়েলে কয়েকদিন থেকে পানি উঠছে না। ব্যক্তি মালিকানায় পাশের বাড়িতে বসানো সাব মারর্সেবল টিউবওয়েল থেকে প্রতিদিন পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

পৌরসভার বাজুবাঘা গ্রামের আব্বাস উদ্দীন বলেন, ১৭০ ফুট পাইপ বসিয়েও পানি উঠছেনা। পরে জল মর্টার বসিয়ে পানির ব্যবস্থা করেছেন। বিদুৎ চালিত মোটার বসানো নলকূপেও পানি উঠছেনা বলে জানিয়েছেন আম চাষি মাজদার রহমান । অমরপুর গ্রামের কৃষক টিপু সুলতান বলেন, ক্ষেত রক্ষার জন্য পাশের মালিকের পুকুর থেকে সেচ দিচ্ছি। সেই পানি নিতে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।

এবার ধানের ফলন নিয়ে সংশয় রয়েছে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর উপ সহকারি প্রকৌশলী,মিঠনকুমার রবিদাস বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত পানির সমস্যা যাবেনা। ১৫০ ফিট পাইপ দিয়ে যেসব এলাকায় সাবমার্সেবল নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে পানির সমস্যা নেই। তবে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন বেশ কিছু হস্তচালিত অগভীর নলকূপে পানি না উঠছেনা।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা বেগম জানান মঙ্গলবার দিনের তাপমাত্রা ছির ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সন্ধ্যায় কিছুটা কম হতে পারে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ছিল আপছা রোদ। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি। উপজেলা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষিবিদ শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে কৃষি, গৃহস্থালি এবং সুপেয় পানি পানের ক্ষেত্রে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, বর্ষাকালে নদী-নালা, খালবিলের পানি সংরক্ষনের ব্যবস্থা করতে হবে। যেহেতু কৃষিতে পানির ব্যবহার বেশি হয়, সেক্ষেত্রে যে সমস্ত ফসলে সেচ কম লাগে সেই ফসলের আবাদ বৃদ্ধির মাধ্যমেও পানির স্তর ঠিক রাখা যায়। বৃষ্টি না হওয়ায় ফসল উৎপাদন করতে কৃষকের সেচ খরচ বেশি লাগছে। জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ায় এ অবস্থা হয়েছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট