
নাজিম হাসান: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তাহেরপুর ফিলিং স্টেশনে প্রায় তিন সপ্তাহ যাবত ধরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় তেল সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে সপ্তাহে এক দুই দিন সামান্য পরিমাণ পেট্রোল ফিলিং স্টেশনে অবশিষ্ট থাকায় সেখানে মোটরসাইকেল চালকদের উপচে পড়া ভিড় ও সেই সাথে রাজশাহীর বাগমারার তাহেরপুর টু পুঠিয়া মেইন সড়কে চরম ভোগান্তি দেখে দেয়।
আজ (২৬ মার্চ) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১০টা পর্য়ন্ত এ অবস্থায় বাস,ট্রাক,মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহনসহ সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েন। তবে পাম্পে সরবরাহ সীমিত পেট্রোল থাকায় সেখানে শত শত মোটরসাইকেল চালক ভিড় করেছেন। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছি না। পাম্প থেকে বলা হচ্ছে তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাই সীমিত পরিমাণ দেওয়া হয়েছে। এবং লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এবং পাম্পে প্রভাব খাটিয়ে বা গোপনে বোতলে করে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তাহেরপুর ফিলিং স্টেশন কর্মচারিরা সরাসরি গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি না করে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে সরবরাহ করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়ার সরগাছি অবস্তিত তাহেরপুর ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শত শত মোটরসাইকেল চালক তেলের জন্য ভিড় করছেন। তীব্র রোদ উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত তেল না পেয়ে অনেককেই হতাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে। তাদের দাবি, পাম্পে তেল মজুদ থাকলেও সাধারণ চালকদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে।
এ দিকে, জ্বালানি সংকটের বিষয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, মূলত ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন,সাধারণ মানুষের জনজীবন এখন বিপর্যস্ত। জ্বালানি তেলের জন্য দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এই ভোগান্তি আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।#