1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
​নাম, পরিচয় ও কর্মের দায়বদ্ধতা: একটি বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় র‍্যাব-৬ এর মোতায়েন  যারা জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্র, বহু দলীয় গণতন্ত্র এবং পার্লামেন্টরী গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল তাদের সম্মুখ সারিতে ছিলেন ফজলুল হক মিলন: ড. আব্দুল মঈন খান রূপসায় ধানের শীষের প্রার্থী হেলালের পক্ষে নির্বাচনী গণমিছিল ‎ ‎ রূপসায় ক্বেরাত সম্মেলনে হাফেজদের পাগড়ী প্রদান ইসলামী বই বিতরণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত সবার মুখে একই কথা সকল দল দেখা শেষ এবার দাড়িপাল্লার বাংলাদেশ—অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল ঘুষ, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের অস্তিত্ব থাকবে না: শিবগঞ্জে জামায়াত প্রার্থী ড. কেরামত আলী তাহেরপুর পৌরসভার হাট-বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনীতে সয়লাব রূপসায় তুচ্ছ ঘটনায় বোরহান হাওলাদার নামের এক দোকানদারকে মারপিট করে আহত করার অভিযোগ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান পপির কালীগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে উঠান বৈঠক 

নওগাঁর প্রাচীন বলিহার রাজবাড়ি

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ১৬০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ ফিরোজ আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ নওগাঁ জেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বলিহার ইউনিয়নে প্রাচীন বলিহার রাজবাড়ি অবস্থিত। সম্রাট আওরঙ্গজেব কর্তৃক জায়গির লাভ করে বলিহার জমিদার এই রাজবাড়ি তৈরী করেন। যা বর্তমানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসেবে সুপরিচিত।

দোতালা জমিদার বাড়ির সামনে আছে বিশালাকারের তোরণ এবং ভেতরে আছে নাটমন্দির, রাজ রাজেশ্বরী মন্দির, জোড়া শিব মন্দির ও ২টি শিবলিঙ্গ। মন্দিরের দেয়ালে থাকা মূল্যবান রিলিফের কারুকার্য মন্দিরের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করেছে। ১৮২৩ সালে বলিহারের জমিদার রাজেন্দ্র লোকান্তরিত হবার পূর্বে বলিহার রাজবাড়ির দূর্গা মন্দিরে রাজ রাজেশ্বরী দেবীর অপরূপা পিতলের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

এছাড়াও প্রাচীনকালে মন্দির ভবনে অবস্থিত প্রতিটি কক্ষকে এক একটি মন্দির বলে ধারণা করা হয়। বিভিন্ন সময়ে কয়েকজন জমিদার রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বলিহারের জমিদারিত্বের দায়িত্বে ছিলেন। সর্বশেষ দেশ বিভাগের সময় বলিহারের জমিদার রাজা বিমেলেন্দু রায় ভারতে চলে গেলে রাজ পরিবারের অন্যান্য কর্মচারীরা বলিহার রাজবাড়ী দেখাশোনার দায়িত্ব নেন। একসময় বলিহার জমিদারীর অধীনে ৩৩০টি দীঘি/পুকুর থাকলেও বর্তমানে এর মাত্র কয়েকটি অবশিষ্ট রয়েছে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজবাড়ীর বিভিন্ন নিদর্শন, আসবাপত্র সহ অনেক মূল্যবান সামগ্রী দুর্বৃত্তরা লুট করে নিয়ে যায়। কিছুদিন আগেও বলিহার রাজবাড়ির একটি ভবন স্থানীয় স্কুলের শ্রেণীকক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে। তবে রাজবাড়ীর ভিতরের দেবালয়ে নিয়মিত পূজা অর্চনা করা হয়ে থাকে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট