1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার  মামলা নেয়নি পুলিশ, প্রতিকারের দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে শেকেরচক মহলদারপাড়া মসজিদ কমিটির সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ভোলাহাটে পারিবারিক কলহের জেরে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু ডেঙ্গুমুক্ত খুলনা গড়তে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডিজেল রপ্তানি বন্ধের পথ থেকে সরল যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ায় প্লেগে ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানের মৃত্যু, আইসোলেশনে ২০০ জন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তৃতীয় কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল নয়: দিনেশ ত্রিবেদী নাটোরে ৩ পাখি শিকারির কারাদণ্ড ও জরিমানা, ৫০টি বক অবমুক্ত পত্নীতলায় অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১ লাখ টাকা জরিমানা ডেঙ্গু মুক্ত রাজশাহী গড়তে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাজশাহীতে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার  মামলা নেয়নি পুলিশ, প্রতিকারের দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৥ শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসাঃ জিন্নাত খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা গ্রহণ না করা, পাল্টা মামলা ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে শিবগঞ্জ বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জিন্নাতের মা মোসাঃনিলুফা বেগম অভিযোগ করেন, গত ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আমরা কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে  দক্ষিণ উজিরপুর  গ্রসমের মৃত হযরত আলীর ছেলে আলী হোসেন (৪৫) ও তার সহযোগীদের সহায়তায় জিন্নাতকে বাড়ির একটি কক্ষে আটকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় জিন্নাত চিৎকার করলে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও গলা টিপে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিলুফা বেগম আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জিন্নাত খাতুনের মরদেহ ঘরের মধ্যে রডের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে পপি নামের এক নারী দরজার তালা খুলে অভিযুক্তদের পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেন বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার স্বামী জিয়ারুল হকের কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। পরে থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। গত প্রায় আট মাস ধরে তারা মামলা করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি ও হুমকি দিচ্ছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জিন্নাত খাতুনের ফুপু মনোয়ারা বেগম বলেন, তিনি জিন্নাত খাতুনের মরদেহ দেখেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মরদেহের নিম্নাংশ ও বুক ভুলা ছিল এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও গলায় দাগ ছিল। এসব আলামত থেকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের বিশ্বাস।
সংবাদ সম্মেলনে জিন্নাতের ফুপা শোয়েব আলী, ফুফাতো ভাই রুবেল আলী, চাচা জলিল উদ্দিন, ইউসুফ আলী এবং ছোট বোন জান্নাতীসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিবারের দাবি, জিন্নাতের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, দায়ীদের আইনের আওতায় আনা এবং তাদের বিরুদ্ধে করা হয়রানিমূলক মামলা ও হুমকি থেকে প্রতিকার দিতে হবে।
এ ব্যাপারে ঘটনার তদন্তকারী অফিসার এস আই তন্ময় কুমার বলেন,এটি আত্ম হত্যা ছিল,একটি ইউডি মামলা হয়েছিল এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আত্মহত্যার প্রমান মিলেছে। তবে ওসি(তদন্ত) মোঃ আনিসুর রহমান বলেন,সদ্য যোগদান করেছি।আমার জানা ছিল না।এখন জানলাম। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট