
মো. শাহাদত হোসেন খোকন, স্টাফ রিপোর্টার/শাহরিন সুলতানা সুমা, জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা: অবশেষে বহু দেন দরবার ও দাবি দাওয়া ও এটেবিল ওটেবিল ছুটাছুটি আর দৌড় ঝাঁপের পর গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ নলডাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে রংপুর আন্ত:নগর ট্রেনের স্টপেজ ও টিকিট দেয়া শুরু হয়েছে গত ২ জানুয়ারি/২৬ শুক্রবার থেকে। দাবি পূরণ হওয়ায় এ এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আনন্দ উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
এলাকাবাসি জানায়, এএলাকার মানুষের অনেক দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি পূরণ হলো। সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। সে হিসেব বিবেচনা করে রেল মন্ত্রণালয় এখানে রেলস্টেশন গড়ে তোলে এ অবহেলিত এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য। কিন্তু মন্ত্রণালয় লোকাল ও মেইল ট্রেন ছাড়া অন্য কোন আন্ত:নগর ট্রেনের স্টপেজ দেয়নি এবং টিকিট বিক্রি বন্ধ ছিল। এ নিয়ে এলাকাবাসির মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। তারা একটি ন্যায় সঙ্গত দাবি আদায়ের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও রেল মন্ত্রণালয়ের কাছে বারংবার ধন্না দিয়েও সমাধানে ব্যার্থ হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলোক্ট্রো মিডিয়ায় বহু লেখালেখি হয়েছে কিন্তু কাজের অগ্রগতি তেমন হয়নি বললেই চলে। ফলে আন্ত;নগর ট্রেনের স্টপেজ আবেদনের ফাইল মুখ থুবড়ে পড়ে।
জানা যায়, স্থানীয় সচেতন এলাকাবাসি ও সংবাদকর্মীদের মধ্যে গুটি কয়েকজন রেলস্টেশনের উন্নয়ন – উন্নতি ও আন্ত:নগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি নিয়ে কাজ করেছে। পশ্চিমাঞ্চল রেওয়ের সদর দপ্তর ও লালমনিরহাট বিভাগীয় অফিস, রেল মন্ত্রণালয়ে খেয়ে না খেয়ে বেশি দৌড়ঝাঁপ করেছেন, ব্যক্তি স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে এলাকার স্বার্থ কে সবার আগে বড় করে দেখেছেন তারা হলেন দৈনিক সবুজনগর প্ত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও জেলা প্রতিনিধি মো. শাহাদত হোসেন খোকন ও শাহরিন সুলতানা সুমা। তাদের আত্মত্যাগ এলাকাবাসি মনে রাখবে। সে সাথে দৈনিক সবুজনগর পত্রিকা অগ্রণীভূমিকা পালন করেছে বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে। দৈনিক সবুজনগর কর্তৃপক্ষকে নলডাঙ্গা তথা গাইবান্ধাবাসি কৃতজ্ঞতার সহিত মনে রাখবে।
এদিকে রংপুর আন্ত;নগর ট্রেনের স্টপেজের মধ্য দিয়ে শুরু হলো নলডাঙ্গা স্টেশনের অগ্রযাত্রা। মন্ত্রণালয় আশ্বস্থ করেছে যে পর্যায় ক্রমে সকল গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের স্টপেজ এবং টিকিট বিক্রি পদ্ধতি চালু হবে অচিরেই। এতে করে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর পলাশবাড়ি, সুন্দরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জসহ ৬/৭টি উপজেলার প্রায় ৫০টিরও বেশি ইউনিয়নের জনসাধারণ নলডাঙ্গা স্টেশন থেকে দেশে বিভিন্ন স্থানে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে।
উল্লেখ্য, আপাতত রেল মন্ত্রণালয় বিভিন্ন রুটে মাত্র ২০টি টিকিট দেয়ার অনুমতি দিয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী টিকিট বরাদ্দের সংখ্যা ভবিষ্যতে বৃদ্ধি করা হবে।#