1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ গঠনের আদেশ ১২ জুন - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
কাগজের চিরকুট’: এক অবিনাশী স্বপ্নের পুনর্জন্ম ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল রাজশাহীর বাঘায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু, প্রধান আকর্ষণ লক্ষ টাকার প্রাইজমানি মা ইলিশ সংরক্ষণের প্রথম দিনেই বাঘায় ২ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি ভূমিমন্ত্রী আত্রাইয়ে ভিডিপির ১০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা চালিয়েছে ‘ছোট ভাই’: ছাত্রদল নেতা নিশাত রামেবি ভিসিকে অবরুদ্ধের পর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কাটা হলো ঘরের তালা ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের প্রথম দিনেই ৬ হাজার মিটার জাল জব্দ শিবগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তিতে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ গঠনের আদেশ ১২ জুন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২ জুন, ২০২৪
  • ২১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সবুজনগর ডটকম: গ্রামীণ টেলিকমের  শ্রমিক কর্মচারীদের সংরক্ষিত ফান্ডের লভ্যাংশের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে করা মামলায় নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে আদেশের জন্য আগামী ১২ জুন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত  হোসেনের আদালতে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। অপর দিকে ড. ইউনূসসহ আসামি পক্ষের  আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য ১২ জুন দিন ধার্য করেন।

এরআগে বৃহস্পতিবার (২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেনের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। সেদিন আসামি পক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক আজ ২ জুন  অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য করেন। আজ অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ হয়েছে।

২০২৩ সালের ৩০ মে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। সংস্থাটির, উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদি হয়ে মামলাটি করেন।

২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান আনোয়ার। দুদকের মামলায় আসামি ছিলেন ১৩ জন। পরে চার্জশিটে নতুন একজন আসামির নাম যুক্ত হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ২ এপ্রিল ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ চার্জশিট গ্রহণ করে মামলার বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ বদলির আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। সদস্যদের উপস্থিতিতে ২০২২ সালের ৯ মে অনুষ্ঠিত ১০৮তম বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখায় হিসাব খোলা হয়। গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের পাওনা লভ্যাংশ বিতরণের জন্য গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন এবং গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট চুক্তি হয় ওই বছরের ২৭ এপ্রিল।

গ্রামীণ টেলিকমের বোর্ড সভার হিসাব খোলার সিদ্ধান্ত ৯ মে হলেও হিসাব খোলা হয় একদিন আগে ৮ মে। সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টেও ৮ মে ব্যাংক হিসাব দেখানো আছে, যা বাস্তবে অসম্ভব। এরকম ভুয়া সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টের শর্ত অনুযায়ী ও ১০৮তম বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২২ সালের ১০ মে গ্রামীণ টেলিকমের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মিরপুর শাখা থেকে ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখায় ৪৩৭ কোটি ১ লাখ ১২ হাজার ৬২১ টাকা স্থানান্তর করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ২২ জুন অনুষ্ঠিত গ্রামীণ টেলিকমের ১০৯তম বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অ্যাডভোকেট ফি হিসেবে অতিরিক্ত ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯১ হাজার ৩৮৯ টাকা প্রদানের বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়। অন্যদিকে ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখার হিসাব থেকে, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন নামীয় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লোকাল অফিসের হিসাব থেকে তিন দফায় মোট ২৬ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা স্থানান্তর করা হয়।

কিন্তু কর্মচারীদের লভ্যাংশ বিতরণের আগেই তাদের প্রাপ্য অর্থ তাদের না জানিয়ে অসৎ উদ্দেশে ২০২২ সালের মে ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে সিবিএ নেতা মো. কামরুজ্জামানের ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মিরপুর শাখার হিসাবে মোট ৩ কোটি টাকা, সিবিএ নেতা মাইনুল ইসলামের হিসাবে ৩ কোটি ও সিবিএ নেতা ফিরোজ মাহমুদ হাসানের ডাচ-বাংলা ব্যাংক মিরপুর শাখার হিসাবে ৩ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়।

একই ভাবে অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলীর কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের ধানমন্ডি শাখার হিসাবে ৪ কোটি টাকা স্থানান্তর হয়।

আসামিরা হলেন, গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান ও প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক কামরুল ইসলাম।

এছাড়া আসামিরা হলেন, গ্রামীণ  টেলিকমের পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান  বেগম ও পরিচালক এস. এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী।#বাসস

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট