1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
গোদাগাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা জিএসএ’র বিবৃতি: জেলা প্রশাসকের বক্তব্য বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ভোলাহাটে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাঘায় ভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে ভটভটির চাপায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে বন্ধু  নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিউ মার্কেটে আগুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস নিতেন প্রক্সি শিক্ষক, ৩ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা গাজীপুরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন, মাসুদ কাঁইয়া আহ্বায়ক ফারুক খানকে সদস্য সচিব গোদাগাড়ীতে কৃষি, পানি সংকট ও জলবায়ু নিয়ে গণতান্ত্রিক সংলাপ অনুষ্ঠিত

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা নিজ খরচে পেপারবুক প্রস্তুতের অনুমতি

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সবুজনগর ডেস্ক: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদ-ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক নিজ খরচে তৈরির অনুমতি দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, এডভোকেট আমিনুল ইসলাম, এডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল।

সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কোনো অনুকম্পা চান না। তিনি আইনি ভাবে মামলা নিষ্পত্তি করতে চান। এ কারণে আমরা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার সাজার রায়ের বিরুদ্ধে দ্রুত আপিল শুনানি করতে চাই। আপিল শুনানির জন্য আদালত আমাদের নিজ খরচে পেপারবুক প্রস্তুত করার অনুমতি দিয়েছেন।

২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদ- দেয়া হয়। একইসঙ্গে অন্য তিন আসামিকেও সাত বছরের কারাদ- প্রদান করেন বিচারিক আদালত। খালেদা জিয়াসহ প্রত্যেককে জরিমানাও করা হয়। এছাড়া ট্রাস্টের নামে কেনা কাকরাইলে ৪২ কাঠা জমি বাজেয়াপ্ত করে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে নেয়ার আদেশ দেয়া হয়। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া।

এ মামলায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় জামিন চেয়ে ন্যায়বিচার পাননি তিনি। এক পর্যায়ে সরকার নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে মুক্তি দেয়া।

গত ৬ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেয়া হয়েছে। ওইদিন বঙ্গভবনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানান, তিনি কোনরূপ অনুকম্পা নয় আইনের লড়াইয়ের মাধ্যমে মামলা মোকাবেলা ও নিষ্পত্তি করতে চান।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে টানা প্রায় ১৬ বছরের শাসনের পতন হয়।#বাসস

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট