1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল নারী নির্যাতনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম গ্রেফতার - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
. টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ: বাঁচতে চান ঠাকুরগাঁওয়ের আদিবাসী পলাশ পাহান নিখোঁজ শিশু উদ্ধার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্র ও সমাজের ভূমিকা জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা শিবগঞ্জ, সম্মাননা পেলেন ইউএনও মাজহারুল ইসলাম নওগাঁয় ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে যাত্রাপালা ‘জেল থেকে বলছি’ প্রদর্শিত আত্রাইয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: গাঁজা ও টাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার ২ রাজশাহীর বাঘায় শাহদৌলা সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে নবীন বরণ  টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে পুলিশের অভিযান: ১৫ হা: ৬শ’ টাকার ইয়াবাসহ আটক ৩ খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শন করলেন ঢাকা থেকে আগত চিত্রশিল্পী তন্ময় রায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অভিযান: ১২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ জনের কারাদণ্ড নরসিংদীর শিবপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সভা ও উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল নারী নির্যাতনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম গ্রেফতার

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সম্প্রতি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজা বিরাট আদিবাসী গ্রামে একজন সাঁওতাল নারীকে নির্যাতন করে তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের মামলায় প্রধান আসামী ছিলেন তিনি।

গাইবান্ধা পুলিশ সুপার নিশাত এ্যঞ্জেলা’র দিক নির্দেশনায় গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ পরির্দশক ওসি বুলবুল ইসলাম নিদের্শে থানার উপ-পরিদর্শক মানিক রানা ও উপ-পরিদর্শক শাহজাহান আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বুধবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকার শাহবাগের প্রিতম হোটেল থেকে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। এর আগে মঙ্গলবার দেশের ৪৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এক বিবৃতিতে এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।

মারধরের শিকার ফিলোমিনা হাসদা (৫৫) বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ফিলুমিনা হাঁসদার ছেলে ব্রিটিশ সরেন দাবী করেন, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে গ্রামের পাশে সাঁওতালদের পৈত্রিক জমি, যা বাঙালিরা দখল করে নিয়েছে, সেই জমিতে রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মাটি ভরাট করছিলেন। জায়গাটি আগে পতিত অবস্থায় ছিল। হঠাৎ করে চেয়ারম্যান সেই জমিতে মাটি ভরাট করছেন দেখে গ্রামের কয়েকজন সাঁওতাল যুবক বাধা দিতে যায়। তখন চেয়ারম্যানের সামনেই তার লোকজন আমার খালাতো ভাই নিকোলাস মুর্মুকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। আমরা কিছু দূরে আলুর খেতে কাজ করছিলাম। খালাতো ভাইকে মারধরের কথা শুনে আমি প্রতিবাদ করতে গেলে চেয়ারম্যান আমাকে লাঠি দিয়ে মারতে আসেন। এসময় আমার মা চেয়ারম্যানের লাঠি ধরতে গেলে চেয়ারম্যান তার কানে উপর্যুপরি থাপ্পড় দেন। এতে মা মাটিতে পরে যান এবং তার কান দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে। ওই রাতেই চেয়ারম্যানের লোকজন তাদের বাড়িতে আগুন দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরদিন ফিলুমিনা হাঁসদার আরেক ছেলে জুলিয়াস সরেন বাদী হয়ে রফিকুল ইসলাম, তার ভাই এবং অন্য চার জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনার পর গাইবান্ধা জেলা বিএনপি রফিকুল ইসলামকে সব পদ থেকে বহিষ্কার করে।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি বুলবুল ইসলাম বলেন,প্রধান আসামি রফিকুল ইসলামকে ঢাকার একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাকে গাইবান্ধায় ফিরিয়ে আনা হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট