1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
খুলনার হালিমা ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
জমি নিয়ে দেওয়ানি মামলা চললেও ভূমি অপরাধের বিচার বন্ধ নয়, জালিয়াতি-জবর দখলে রয়েছে পৃথক আইনি প্রতিকার বাঘায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ সারিয়াকান্দিতে সাংবাদিকদের সাথে এমপি কাজী রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদীচীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আত্রাইয়ের ৪ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন রাজশাহীতে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল-২০২৬ উপলক্ষে প্লেয়ার অকশন অনুষ্ঠিত রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী সিটি ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বদরগঞ্জে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শিবগঞ্জের কানসাটে ৫.৮৫০ কেজি হেরোইনসহ আটক ১ বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৮৪%, শূন্য পাস ১১ প্রতিষ্ঠানে

খুলনার হালিমা ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৬১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ. ব্যুরো খুলনা…………………………………………………

খুলনা জেলায় ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারে অবস্থিত আলোচিত হালিমা ক্লিনিকে আবারও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, ইতিপূর্বে একাধিক রোগী ভুল অপারেশনে মৃত্যুবরণ করেছে এই আলোচিত ক্লিনিকেটিতে। এবার ফাতেমা খাতুন নামে ১১ বছর বয়সের এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সে বাদুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী।

 

এঘটনায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ আত্মগোপনে রয়েছে বলে জানা যায়। উক্ত বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা চলছে বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে।

 

উক্ত বিষয়ে স্কুল ছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে ছাত্রীর চাচা আলামিন মৌলঙ্গী জানান, গত ৩১ জুলাই সকালে উপজেলার বাদুড়িয়া গ্রামের ভাই আলামিন মৌলঙ্গীর মেয়ে ফতেমা খাতুন পেটে ব্যথা নিয়ে হালিমা মেমোরিয়াল নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মোঃকামাল হোসেনের ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এদিকে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা নিরিক্ষা করে অ্যাপেন ডিসাইডিস হয়েছে বলে জানান এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপারেশন করানোর পরামর্শ দেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ফাতেমা খাতুনের অ্যাপেনডিসাইডিস অপারেশনের জন্য অস্ত্রোপচার করা হয়। উক্ত অস্ত্রোপচারের সময় ভুলবশত মূত্রথলির নাড়ি কেটে ফেলায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। এর ৪ দিন পর ৪ আগস্ট শুক্রবার সকালে ক্লিনিক মালিক কামাল হোসেন ফাতেমা খাতুনকে আবারও ওটিতে নিয়ে যায়। ঘন্টা দুয়েক পরে ওটি থেকে বের করে রোগীর স্বজনদের কাছে ফাতেমা খাতুন গুরুতর অসুস্থ বলে অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাতেমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেয়। স্বজনরা তখন দিশেহারা হয়ে খুলনা গাজী মেডিকেল হাসপাতালে ফাতেমাকে ভর্তি করেন। কর্তৃপক্ষ ফাতেমার অবস্থার অবনতি দেখে আইসিউতে নিবিড় পর্যেবক্ষণে রাখে এবং একই দিন বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

স্কুলছাত্রী ফাতেমা খাতুনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে স্থানীয় লোকজন ক্লিনিকে ছুটে আসলে ক্লিনিক মালিক কামাল হোসেন সহ স্টাফরা মেইন গেট বাদে প্রতিটা কক্ষ তালাবন্ধ করে সুকৌশলে। নিহত শিশুর আত্মীয় স্বজনরা জানান, ক্লিনিক এর সত্ত্বা ধিকারী মোঃ কামাল হোসেন এমবিবিএস সার্জারি অপারেশনের ডাক্তার পরিচয় দিয়ে অপারেশন করেন। সে রোগীদেরকে এই ভাবেই পরিচয় দিয়ে অপারেশন করান। জানা গেছে, সার্বক্ষণিক অপারেশন করানোর জন্য ঐ ক্লিনিকে এমবিবিএস কোন ডাক্তার নেই।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট