1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
তানোরে খবার কবলে  বৃষ্টি নির্ভর  আমণক্ষেত - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখমের মূল পরিকল্পনাকারী স্পিকার মিরাজসহ গ্রেপ্তার ২ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে লৌহজং নদীতে শিশু নিখোঁজ: উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস পোরশায় ৬৩ লাখ টাকার হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে কুষ্টিয়ায় ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক সার ডিলার নিয়োগের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় মিথ্যা মামলার অভিযোগ কৃষকদল নেতার আত্রাইয়ে পুলিশ ও জনতার যৌথ তৎপরতায় চোরাই বাইক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৭৫টি ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট প্রদান শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত শিবগঞ্জে মাদ্রাসার সুপার ও তাঁর ছেলেকে অবরুদ্ধ করে রাখল এলাকাবাসী, উদ্ধার করল পুলিশ “নজরুলের চেতনা ধারণ করে মানবিক সমাজ গঠন করতে হবে”: আত্রাইয়ে এম‌পি রেজু

তানোরে খবার কবলে  বৃষ্টি নির্ভর  আমণক্ষেত

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

তানোর প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোরে খরার কবলে পড়েছে বৃষ্টি নির্ভর আমণক্ষেত। এতে ফসলহানির আশঙ্কা  করছে কৃষকেরা। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিযেছে। অধিকাংশ  নলকূপ থেকে পানি উঠছে না। আবার যেগুলোতে উঠছে তাতে এক গ্লাস পানি তুলতে হাঁসফাঁস অবস্থা।এদিকে বেশ কিছুদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় বৃষ্টি নির্ভর  আমণক্ষেত খরার কবলে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বাধাইড় ইউপির গাল্লা, হরিশপুর, বৈদ্যপুর, জুমারপাড়া, সাইধাড়া, কলমা ইউপির বংপুর, চৈতপুর,বিল্লী, মুন্ডুমালা পৌর এলাকা, পাঁচন্দর ইউপির বিভিন্ন মাঠে বিপুল পরিমাণ আমণখেত খরার কবলে পড়েছে। এতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট আবাদ যোগ্য জমি আছে ২৩ হাজার ৯৯৩ হেক্টর, সেচের আওতায় জমি রয়েছে ২২ হাজার ৩৩২ হেক্টর। সেচ বহির্ভূত জমি আছে এক হাজার ৬৬১ হেক্টর, এক ফসলী জমি রয়েছে ৩৪৪ হেক্টর, দুই ফসলী জমি রয়েছে ৪ হাজার ৫৪০ হেক্টর, তিন ফসলী জমি রয়েছে ১৯ হাজার ১০৯ হেক্টর। কামারগাঁ ইউপির ছাঐড় গ্রামের কৃষক আব্দুল,আয়ুব আলী ও ওয়াসিম আলী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় খরার কবলে পড়ে আমণখেত ফেটে চৌচির, দু’চারদিনের মধ্যে কাঙ্খিত বৃষ্টি না হলে ফসলহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে বাধাইড় ইউপির কৃষক শফিকুল ইসলাম, সাদিকুল ইসলাম ও দুরুল হুুুদা জানান, তারা প্রতিবছর রোপাআমণ  চাষ  করে থাকেন। এই অঞ্চলে  একটা সময় শ্রাবন মাস জুড়েই রোপা-আমণ রোপণ করা হতো। কিন্তু এখন আলু চাষের জন্য আষাঢ় ও শ্রাবনের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই রোপণ প্রায় শেষ  হয়ে যায়।

উপজেলার আদর্শ কৃষক নুর মোহাম্মাদ বলেন, অতীতে শ্রাবন মাস জুড়েই জমিতে আমণের চারা  রোপণ করা হতো। কিন্তু ইদানিং  আলু চাষের জন্য আগাম রোপণ করা  হচ্ছে। কারণ রোপনের আগেই আলুর জন্য জমি লীজ হয়ে যায়। এসব টার্গেট করে কৃষকরা বীজও আগাম করেন। তিনি বলেন, রোপা-আমণ পুরোপুরি বৃষ্টি নির্ভর ফসল। কিন্তু জলবায়ুর বিরুপ প্রভাবের কারণে একদিন বৃষ্টি হচ্ছে তো ছয় সাত দিন বৃষ্টির  দেখা নেই।

গত ২০ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই  পর্যন্ত গড় তাপমাত্রা ছিলো প্রায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস সঙ্গে ছিল  প্রচন্ড রোদ ও ভ্যাবসা গরম।  এবিষয়ে বাধাইড়  ইউনিয়ন (ইউপি)  চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, তার ইউপির প্রায় পুরো আমণখেত খরার কবলে পড়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, এবারে রোপা  আমণের লক্ষমাত্রা  নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ২১ হাজার হেক্টর।

তিনি বলেন, শ্রাবন মাস জুড়েই রোপা-আমণের চারা রোপণ করে থাকেন কৃষকরা। বৃষ্টি না হলে অবশ্যই সেচের ব্যবস্থা করে আমণখেত রক্ষা করা হবে,  এখোনি কৃষকদের হতাশ হবার কিছু নাই।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট