# আত্রাই প্রতিনিধি…………………………………….. নওগাঁর আত্রাইয়ে সবুজে সমারোহ ফসলের মাঠ গুলো৷ সবুজ নীলিমায় একাকার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। সুজলা সুফলা শষ্য শ্যামল সবুজ প্রান্তরে পরিণত হয়েছে উত্তর জনপদের শষ্য ভান্ডার খ্যাত জেলা নওগাঁর
# আবুল কালাম আজাদ…………………………………………… কৃষিজমিতে পানি পানি দেয়া সেচযন্ত্র স্যালোমশিন বা কৃষিজমিতে অগভীর নলকূপের মালিকরা স্থানীয়ভাবে পানিদার বলে পরিচিত। রাজশাহীর অঞ্চলের জেলাগুলো, বিশেষকরে বরেন্দ্রাঞ্চল গুলোতে লাখ লাখ কৃষকদের বহুদিন ধরে
# আরাফাত হোসেন……………………………………………………… স্বল্প খরচ আর কম সময়ে সরিষা চাষ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ও এর ব্যতিক্রম নয়। উন্নত জাতের সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন
# বিশেষ প্রতিনিধি, বাঘা, রাজশাহী থেকে……………………………… রাজশাহীর বাঘার পেয়ারা ও থাই বরই এর প্রথম চালান ইতালিতে পাঠানো হয়েছে । ঢাকার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আদাব ইন্টারন্যাশনাল এর মাধ্যমে বৃহসপতিবার (১৯-০১-২০২৩) বিকেল
# মমিনুল ইসলাম মুন, বরেন্দ্র অঞ্চল থেকে…………………………… রাজশাহীর তানোরে এক কীটনাশক ব্যবসায়ীর কাছে থেকে ব্র্যাকের আলুবীজ ও রোপণ করে কৃষকেরা প্রতারিত হয়েছে। তানোরের তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) মোহর মাঠে এই ঘটনা
# পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি………………………………………………….. চলতি রবি মৌসুমে নওগাঁর পোরশা উপজেলায় ৪ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। যা সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫২০ হেক্টর বেশী। সরিষার গাছ ও আবহাওয়া ভাল থাকলে
নিজস্ব প্রতিবেদক………………………………………. রাজশাহী তানোর উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারশোঁ ইউপি এলাকার আন্ধারসুরিয়া বিলের বন্যা নিয়ন্ত্রিত বাঁধ কেটে পানি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে এক ইজারাদারের বিরুদ্ধে। এতে শতশত একর জমি
আবুল কালাম আজাদ…………………………………………………… রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র জেলার তানোর উপজেলায় প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে সরিষার চাষ। গত বছরের চেয়ে এবছর দ্বি-গুনেরও বেশী জমিতে চাষ করা হয়েছে সরিষার। এ বছর বিপুল
আবুল কালাম আজাদ………………………………………………… রাজশাহীতে বাড়ছে মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষে আগ্রহ। কম খরচে লাভ বেশী হওয়ায় জেলার বিভিন্ন স্থানে এই পদ্ধতিতে সবজির চাষ শুরু হয়েছে। সবজি চাষিরা জানিয়েছেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
আবুল কালাম আজাদ……………………………….. জমিতে আখ থাকলেও সুগার মিলে দিতে আখ দিতে অনীহা দেখা গেছে চাষিদের। সুগার মিলের পরিবর্তে তারা মণ প্রতি ৫০-৬০ টাকা বেশি দরে গুড় ব্যবসায়ীদের কাছে আখ বিক্রি