1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর তানোরে আন্ধারসুরিয়া বিলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে  মাছ শিকার,শতশত একর জমি অনাবাদি হবার আশঙ্কা - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
বদরগঞ্জে কিশোরের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামানের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তরুণ্যের দীপ্ত অঙ্গীকারে সাতক্ষীরায় যুব অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন টাইব্রেকারে পবাকে হারিয়ে জেলা প্রশাসক কাপের ফাইনালে মোহনপুর বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত নওগাঁর পোরশায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বাঘায় নজরুল বর্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন, শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচনা মির্জাপুরে উপজেলা পরিষদ ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামী ও শ্বশুর আটক পত্নীতলায় ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন

রাজশাহীর তানোরে আন্ধারসুরিয়া বিলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে  মাছ শিকার,শতশত একর জমি অনাবাদি হবার আশঙ্কা

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৯৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক……………………………………….

রাজশাহী তানোর উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারশোঁ ইউপি এলাকার আন্ধারসুরিয়া বিলের বন্যা নিয়ন্ত্রিত বাঁধ কেটে পানি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে এক ইজারাদারের বিরুদ্ধে। এতে শতশত একর জমি অনাবাদি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এ ঘটনায় গত ২১ ডিসেম্বর ইজারাদারের বিল পাহারার ঘর আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন এলাকার বিক্ষুব্ধ কৃষকরা এবং কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন

 

অভিযুক্ত ইজাদার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল এলাকার শরিফুল ইসলাম। দক্ষিণ গোয়ালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি থেকে তিনি সাব লীজ (পুনরায় লিজ নেওয়া) নিয়ে ওই বিলে মাছ চাষ করেন ।

 

কৃষকরা জানান, এ বিলের পানি ব্যবহার করে চারপাশের অন্তত ৩ হাজার বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন বাঁকাপুর, ভেড়ি দুর্গাপুর, চাকদহ, খাগড়াসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের কৃষকরা। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেঁটে বিলের পানি সরিয়ে নেওয়া হলে এসব জমিতে বোরো ধানের চাষ অনিশ্চিত হয়েন পড়বে এবং তানোর উপজেলার শীবনদীর পানি বৃদ্ধি পাবে। এতে বর্ষা মৌসুমে শিবনদের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ঝুঁকিতে পড়বে।

 

বাকাপুর গ্রামের কৃষক কমল মন্ডল বলেন, খননযন্ত্র দিয়ে এরই মধ্যে বিলের ভেতর থেকে খাল খনন করে বাঁধ পর্যন্ত নিয়ে আসা হয়েছে। এখন বাঁধ কেটে সেই পানি শিবনদে নেওয়ার চেষ্টা করছেন ইজারাদার। পানি শুকিয়ে গেলে বিলে বোরো ধানের চাষ করতে পারবেন না তাঁরা।

 

চাকদহ গ্রামের কৃষক মুক্তিযোদ্ধা কামিজ উদ্দিন মন্ডল বলেন, বিলের পানি ব্যবহার করে আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ বোরো ধানের চাষ করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন যুগযুগ ধরে। এটিই তাঁদের একমাত্র ফসল উৎপাদনের উপায়। আবার বর্ষা মৌসুমে বিলে থইথই করে পানি। তখন মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন এলাকার লোকজন। কিন্তু তাদের বাঁধা উপেক্ষা করে ইতোমধ্যে বিলের সেই পানি সরানোর পাঁয়তারা করছেন ইজারাদার ও তার লাঠিয়াল বাহিনী।

 

এ বিষয়ে ইজারাদার শরিফুল ইসলাম বলেন, বিলে এখনও অনেক পানি। পানি কমাতে না পারলে মাছ ধরা যাবে না। তাই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বোরো আবাদে কোনো প্রভাব পড়বে না।

 

ইজারাদার অভিযোগ করে জানান, ‘বুধবার সকালে বিলের পাহারায় থাকা লোকজন চৌবাড়িয়া বাজারে নাস্তা করতে যান। এ সুযোগে এলাকার লোকজন পাহারাঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন। এতে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে আমি আইনি পদক্ষেপ নেবো।

 

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর-আলম-সিদ্দিকী বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট