1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে উত্তম কৃষি চর্চায় টেকসই ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কর্মশালা  শিবগঞ্জে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের উদ্যোগে সরানো হলো দূর্গন্ধময় ময়লার স্তুপ দীর্ঘ ৭ বছর পরে হত্যা মামলার ভিকটিম আয়েশা খাতুনকে জীবিত উদ্ধার করলো ভোলাহাট পুলিশ দক্ষিণ নড়াইলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার, কিশোর গ্যাং তৈরির আশঙ্কা, মাদকে শুভরাড়া ইউনিয়ন শীর্ষে লালপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ, চাচাতো ভাইয়ের হাতে খুন হলেন সাদ্দাম লালপুর গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদ সাগরে পুস্পস্তবক অর্পন ও দোয়া মাহফিল সাপাহারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদণ্ড বাঘায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল সম্পন্ন, বালক বিভাগে মনিগ্রাম ও বালিকা বিভাগে জয়গুন্নেছা চ্যাম্পিয়ন নিয়ম বহির্ভূতভাবে আউটসোর্সিংয়ের ৫৯ জনের নিয়োগ বাতিলের প্রতিবাদে ও পূর্ণবহালের দাবিতে  ঠাকুরগাঁওয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধন ও সমাবেশ  শিবগঞ্জে ময়লার স্তুপের দূর্গন্ধে জনদূর্ভোগ চরমে, জরুরী ভিত্তিতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা 

সীমান্তে চোরাই মোবাইলের বাণিজ্য: শিবগঞ্জ হয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে ভারতীয় মোবাইল ফোন

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ আব্দুল বাতেনঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর শিবগঞ্জ,কানসাট বাজারে হাত বাড়ালেই মোবাইল। তবে সেগুলো বৈধ নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছিনতাই হওয়া বা চুরি হওয়া ফোন সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে প্রতিনিয়ত। আর শিবগঞ্জ কানসাট হয়ে এই মোবাইল চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রকাশ্য বাজারে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে অবাধে চলছে এ বাণিজ্য।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট। বছরে কোটি টাকার বাণিজ্য।  সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বছরে সীমান্ত দিয়ে কয়েক কোটি টাকার ভারতীয় মোবাইল বাংলাদেশে ঢোকে। এগুলোর দাম বাজার মূল্যের অর্ধেক বা তারও কমে বিক্রি হয়। অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা জানেন এগুলো চোরাই ফোন, কিন্তু সস্তার লোভে কিনে নিচ্ছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কঠোর অবস্থানের কারণে গত তিন বছরে সীমান্ত এলাকা থেকে ৩,৩২৪টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবির দাবি, নিয়মিত টহল ও অভিযানের কারণেই এ সংখ্যা বাড়তি। তবে এখনও সীমান্তের ভাঙা অংশ ও পাহারাদারদের ফাঁকি দিয়ে মোবাইল পাচার অব্যাহত রয়েছে। প্রধান রুট সীমান্তের ওপারে প্রধান রুট কালিয়াচক, সুজাপুর জালালপুর, হুদমা, মহাদিপুর সীমান্তের এপারে সোনামসজিদ, খাসেরহাট ও কালিগঞ্জ ঠুঠাপাড়া চাকপাড়া — এসব জায়গা  চোরাচালানকারীদের প্রধান রুট হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয় রাখাল, ভ্যানচালক কিংবা পেশাদার চোরাকারবারিদের মাধ্যমে ফোনের চালান ঢুকছে। শুধু লোকাল দোকান বা বাজার নয়, ফেসবুক গ্রুপ, পেজ আর অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতেও এসব ফোন বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় ফোনের আইএমইআই (IMEI) পরিবর্তন করে “নতুনের মতো” বানানো হয়। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানো সহজ হয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিজ্ঞতা এক তরুণ বলেন, “কাগজপত্র চাইলে বলে, কাগজ নাই, দাম কমে দিয়ে নাও। কেউ কেউ একসঙ্গে কয়েকটা কিনে আবার অন্য জায়গায় বিক্রি করে।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু অভিযান নয়, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো, সোশ্যাল মিডিয়ায় মনিটরিং এবং বাজারে আইএমইআই যাচাই বাধ্যতামূলক করলেই এ প্রবণতা কমানো সম্ভব।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট