1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বাংলার আধ্যাত্মিক ইতিহাসের উজ্জ্বল নক্ষত্র শাহ নিয়ামতউল্লাহ (র:) - দৈনিক সবুজ নগর
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
প্রবীণ শিক্ষক আবু সাঈদ মাস্টার আর নেই শাপলা সৃজনমঞ্চ নজরুল উৎসবের উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক রাসিক প্রশাসক রিটন মহিষবাথান পূর্বপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজ ও ঈদগাহ পরিদর্শন শিবগঞ্জে পুলিশি অভিযানে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক: উদ্ধার পিস্তল, গুলি ও ম্যাগজিন নওগাঁর পত্নীতলায় নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ সামন্তসেনা মাদ্রাসায় নবীন বরণ ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমানকে অশ্রুসিক্ত বিদায় নওগাঁর আত্রাইয়ে অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না: ফজলুল হক মিলন এমপি ভোলায় পারিবারিক বিরোধে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপ: স্বামী আটক এনসিপির ভোলা জেলার নতুন কমিটি ঘোষণার পরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

বাংলার আধ্যাত্মিক ইতিহাসের উজ্জ্বল নক্ষত্র শাহ নিয়ামতউল্লাহ (র:)

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৫৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# মোঃ আব্দুল বাতেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদের ফিরোজপুর গ্রাম। শান্ত পরিবেশ, চারপাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা গ্রামটির মাঝেই দাঁড়িয়ে আছে একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন—সুফি সাধক শাহ নিয়ামতউল্লাহ (র.)-এর সমাধি। শত শত বছর ধরে এই সমাধি শুধু ইতিহাসের সাক্ষী নয়, ভক্তদের আধ্যাত্মিক আবেগ ও শ্রদ্ধার কেন্দ্রবিন্দু।

শাহ নিয়ামতউল্লাহ (র:)-এর প্রকৃত নাম ছিল সৈয়দ জামালুদ্দীন মুহম্মদ। ষোড়শ শতকের শেষ ভাগে জন্ম নেওয়া এ আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব পারস্য থেকে ভারতে আসেন। পরে বাংলার মাটিতেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ভাই শাহ সুজা তাঁর আগমনের সংবাদ পেয়ে তাঁকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর কাছেই বায়াত গ্রহণ করেন।

স্থানীয় ইতিহাসবিদরা জানান, শাহ নিয়ামতউল্লাহ (র:) বিলাসবহুল জীবন ত্যাগ করে আধ্যাত্মিক সাধনায় আত্মনিয়োগ করেন। তিনি সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক আদর্শ প্রচারে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর সেই ত্যাগী জীবনদর্শন আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। ফিরোজপুরে অবস্থিত তাঁর সমাধিস্থল মুঘল যুগের প্রাথমিক স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত এ স্থানে প্রতিদিনই আসেন অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থী। কেউ নীরবে ফাতেহা পাঠ করেন, কেউবা শুধু দাঁড়িয়ে থেকে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি খোঁজেন।

স্থানীয় এক ভক্ত আব্দুল মান্নান বলেন, “আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি, শাহ নিয়ামতউল্লাহ (র.:) ছিলেন দয়ালু ও সমাজসেবক। তাঁর মাজারে এলে মনটা হালকা লাগে, এক ধরনের শান্তি খুঁজে পাই।” সোনামসজিদের আশপাশের ইতিহাসের সঙ্গে এ সমাধি যেন একাকার হয়ে গেছে। প্রত্নপ্রেমী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সবাই এখানে এসে খুঁজে পান বাংলার সুফি সাধনার সেই গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট