1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
অতিরিক্ত সার দেওয়া মানে জমির জন্য ক্ষতি : তানোরে কৃষি সচিব - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে শেকেরচক মহলদারপাড়া মসজিদ কমিটির সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ভোলাহাটে পারিবারিক কলহের জেরে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু ডেঙ্গুমুক্ত খুলনা গড়তে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডিজেল রপ্তানি বন্ধের পথ থেকে সরল যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ায় প্লেগে ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানের মৃত্যু, আইসোলেশনে ২০০ জন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তৃতীয় কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল নয়: দিনেশ ত্রিবেদী নাটোরে ৩ পাখি শিকারির কারাদণ্ড ও জরিমানা, ৫০টি বক অবমুক্ত পত্নীতলায় অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১ লাখ টাকা জরিমানা ডেঙ্গু মুক্ত রাজশাহী গড়তে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাজশাহীতে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

অতিরিক্ত সার দেওয়া মানে জমির জন্য ক্ষতি : তানোরে কৃষি সচিব

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৫৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মমিনুল ইসলাম মুন, বিশেষ প্রতিনিধি : “অতিরিক্ত সার দেওয়া মানে জমির জন্য ক্ষতি এবং কৃষকের অর্থের অপচয়”— মন্তব্য করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়া। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে অসচেতনতা ও অজ্ঞতার কারণে কৃষকেরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সার ব্যবহার করছেন। এ বিষয়ে সরকার সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর তানোর উপজেলার দেবীপুর ফসলি মাঠে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় সচিব ‘খামারি অ্যাপ’ ব্যবহার করে মাটির গুণগত মান বিবেচনায় ধানের চাষাবাদ ও সার প্রয়োগের নির্দেশনা দেন। ড. এমদাদ উল্লাহ মিয়ান আরও বলেন, “কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ৭০ শতাংশ সারের ভর্তুকিতে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে কিছু কৃত্রিম সমস্যার কারণে সার সংকট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।”

আলু চাষিদের প্রসঙ্গ টেনে কৃষি সচিব বলেন, হিমাগারের গেটে প্রতিকেজি আলুর সর্বনিম্ন মূল্য ২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারিভাবে ৫০ হাজার টন আলু ক্রয় ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বাজারজাত করা হবে। আগামী মৌসুমে আলু চাষিদের প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছাইফুল আলম, সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল, অতিরিক্ত পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন, রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান, কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. হাসানুজ্জামান, রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক উম্মে সালমা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের উপপরিচালক ফেরদৌসী ইয়াসমিন, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকাত সালমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে কৃষি সচিব তানোর উপজেলার আইড়া মোড়ে রপ্তানিযোগ্য আম বাগান, চুনিয়াপাড়ায় এয়ার ফ্লো মেশিনে পেঁয়াজ সংরক্ষণ কার্যক্রম এবং চাঁন্দুড়িয়া হাড়দো বিলে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে বস্তায় আদা চাষ প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, কৃষক ও কৃষাণীরা অংশ নেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট