1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নওগাঁয় পুলিশের কড়া বার্তা অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা রাজশাহী-৬ আসন ঃ ১১৯ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ৪২টি, উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার প্রচারনা শেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোনামসজিদ বন্দরে ৩ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ শিবগঞ্জের মাসুদপুর সীমান্তে ২ বিদেশি পিস্তলসহ গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার নওগাঁয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি টহলদল কর্তৃক অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ ​নাম, পরিচয় ও কর্মের দায়বদ্ধতা: একটি বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় র‍্যাব-৬ এর মোতায়েন  যারা জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্র, বহু দলীয় গণতন্ত্র এবং পার্লামেন্টরী গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল তাদের সম্মুখ সারিতে ছিলেন ফজলুল হক মিলন: ড. আব্দুল মঈন খান রূপসায় ধানের শীষের প্রার্থী হেলালের পক্ষে নির্বাচনী গণমিছিল ‎ ‎

রাজশাহী ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী ডন গ্রেফতার

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥নিজস্ব প্রতিবেদক…

রাজশাহী ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) সোহেল রানা ডনকে (৪০) আটক করেছে ডিবি পুলিশের একটি টিম। রবিবার সন্ধ্যায় নগরীর বর্ণালী মোড়ে অবস্থিত একটি কোচিং সেন্টার থেকে তাকে গ্রেফতার করে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে করা একটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি সোহেল রানা ডন।

মামলায় তার স্ত্রীকেও আসামি করা হয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে অর্থ লগ্নি করার অভিযোগ করা হয় এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। আরএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন ডনকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ডন একটি মামলার এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি। তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।’ সোহেল রানা ডনের গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায়। একসময় তিনি রাজশাহীর সাবেক সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বড় মেয়ে আনিকা ফারিহা জামান অর্নাকে প্রাইভেট পড়াতেন। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী ওয়াসায় চাকরি পান।

সোহেল রানা ডন চাকরিতে ঢোকার আগে থেকেই কোচিং ব্যবসায় জড়িত। সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি কাগজে-কলমে কোচিং সেন্টার দিয়ে দেন তার বাবার নামে। তবে প্রকৃতপক্ষে তিনি নিজেই পরিচালনা করেন কোচিং সেন্টার। বর্তমানে অন্তত চারটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকারও অভিযোগ আছে।

এ অভিযোগে ২০১৬ সালের অক্টোবরে সোহেল রানা ডনসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছিল ডিবি পুলিশ। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ও ল্যাপটপে সে সময় বিভিন্ন জায়গায় প্রশ্ন পাঠানোর আলামত মেলে। তারপর কিছুদিন জেল খেটে বের হন সোহেল রানা ডন। প্রভাবশালী মহলের আর্শীর্বাদ থাকায় পার পেয়ে যান তিনি। প্রশ্নফাঁসে গ্রেফতার হলেও তার চাকরিও যায়নি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট