1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নওগাঁয় পুলিশের কড়া বার্তা অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা রাজশাহী-৬ আসন ঃ ১১৯ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ৪২টি, উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার প্রচারনা শেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোনামসজিদ বন্দরে ৩ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ শিবগঞ্জের মাসুদপুর সীমান্তে ২ বিদেশি পিস্তলসহ গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার নওগাঁয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি টহলদল কর্তৃক অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ ​নাম, পরিচয় ও কর্মের দায়বদ্ধতা: একটি বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় র‍্যাব-৬ এর মোতায়েন  যারা জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্র, বহু দলীয় গণতন্ত্র এবং পার্লামেন্টরী গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল তাদের সম্মুখ সারিতে ছিলেন ফজলুল হক মিলন: ড. আব্দুল মঈন খান রূপসায় ধানের শীষের প্রার্থী হেলালের পক্ষে নির্বাচনী গণমিছিল ‎ ‎

চাঁদাবাজ লুটেরা সাবধান ! ঈশ্বরদী অপকর্মের সাথে জড়িতদের দল থেকে বহিঃস্কারের জোর দাবি ভুক্তভোগীদের 

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ,ঈশ্বরদী: গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব চলছে। ঈশ্বরদী শহরের জিরোপয়েন্ট বলে খ্যাত রেলগেট এলাকা,অরোনকোলা,আওতাপাড়া পশুহাট,দাশুড়িয়া,মুলাডুলি এলাকা, সাহাপুর ও লক্ষিকুন্ডা ইউনিয়নের ইটভাটা মালিক,রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের একাধিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও রুপপুর পাকার মোড় এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে অঞ্চল ভিত্তিক অবস্থানকারী কতিপয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতার নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কোন কোন এলাকায় বিএনপির নেতা কর্মীদের সাথে যোগ হয়েছে আওয়ামীলীগের অঙ্গ্সংগঠন থেকে আসা কতিপয় ছাত্রনেতা ও সমর্থকরা। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও সরকারের দূর্বলতার সুযোগে কিছু দায়িত্বশীল সরকারী কর্মকর্তারাও নানা কায়দায় হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। স্থানীয় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা নেতাকর্মী,ভুক্তভোগী শিল্প কারখানার মালিক,বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ,ব্যবসায়ীবৃন্দ,ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ মানুষের দেওয়া অভিযোগসূত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।

সূত্রমতে,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকারের লজ্জাজনক পতনের পর আওয়ামীলীগের চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়। এতে সরকারের পরিবর্তন হলেও বদলায়নি চাঁদাবাজির ধরন।এসব কারণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা নেতাকর্মী,সাধারণ মানুষ ও শিল্প কারখানার মালিক,দেশপ্রেমী সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষদের মধ্যে দিনে দিনে ক্ষোভ দানা বেঁধে উঠছে। পূর্বের’ যে কোনো সময়ের তুলনায় ঈশ্বরদীর বিভিন্ন অঞ্চলে এখন দোর্দন্ড প্রতাপে বেড়েছে মোবাইল ফোনে চাঁদাবাজি,ভুমি দখল,ব্যবসায়ীদের হুমকি-ধমকি ও দখল দারিত্ব।

প্রতিদিন উল্লেখিত শ্রেণীর ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও স্থান থেকে আদায় করা হয় লাখ লাখ টাকা এবং দিন শেষে এসব টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়া হয়। মাত্র দু’মাসের ব্যবধানেই ঐসব নেতাদের চলন-বলন ও পোষাক পরিচ্ছদ্যেও ব্যাপক পরিবর্তণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সূত্রের অভিযোগ, বিএনপির প্রভাবশালী এক কেন্দ্রিয় নেতা ও তার অনুসারী ঈশ^রদী উপজেলা বিএনপির প্রয়াত এক শীর্ষস্থানীয় নেতার খুনী ও ডাকাত দলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত সিন্ডিকেট সদস্যরা চাঁদাবাজী ও দখলদারিত্ব নিয়ন্ত্রণ করছে।#

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট