1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
সাংসদ আজিম খুনের তদন্তে  কলকাতার হাসপাতালে সিআইডি - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
কাগজের চিরকুট’: এক অবিনাশী স্বপ্নের পুনর্জন্ম ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল রাজশাহীর বাঘায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু, প্রধান আকর্ষণ লক্ষ টাকার প্রাইজমানি মা ইলিশ সংরক্ষণের প্রথম দিনেই বাঘায় ২ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি ভূমিমন্ত্রী আত্রাইয়ে ভিডিপির ১০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা চালিয়েছে ‘ছোট ভাই’: ছাত্রদল নেতা নিশাত রামেবি ভিসিকে অবরুদ্ধের পর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কাটা হলো ঘরের তালা ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের প্রথম দিনেই ৬ হাজার মিটার জাল জব্দ শিবগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তিতে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

সাংসদ আজিম খুনের তদন্তে  কলকাতার হাসপাতালে সিআইডি

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
  • ২১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

— প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিমের খুনের তদন্তে ই এম বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে গেল সিআইডি। সূত্রের খবর, সাংসদ ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যেতেন। সেই সংক্রান্ত খোঁজ নিতেই শুক্রবার তদন্তকারীরা সেখানে যান। তবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, মে মাসে কলকাতায় আসার পর আনোয়ারুল আজিম ওই হাসপাতালে যাননি। তবে তার আগে এ বছর আরও দু’বার তিনি কলকাতায় এসেছিলেন। সে সময় ওই হাসপাতালে বাংলাদেশি সাংসদ গিয়েছিলেন কি না, সে ব্যাপারে খোঁজ করছে সিআইডি।

বাংলাদেশ পুলিশের কাছ থেকে সিআইডি জানতে পেরেছে, গত ১৯ জানুয়ারি আনোয়ারুল কলকাতায় এসেছিলেন। ক’দিন পরে ফিরে যান। ১৮ মার্চ ফের এ দেশে আসেন। এক দিন থেকেই দেশে ফিরে যান তিনি।

খুনের তদন্তে ধৃত কসাই জিহাদকেও ক্রমাগত জেরা করছে সিআইডি। সূত্রের খবর, সে নানা কথা বলে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে চাইছে। পুরো বিষয়টি সিয়াম নামে আরেক অভিযুক্ত সব জানে বলেও দাবি করছে সে। সিয়াম ঘটনার পর থেকে ফেরার। জিহাদ দাবি করেছে যে আমানুল্লার নির্দেশেই সিয়াম ঘটনার মাস দেড়েক আগে তাকে মুম্বই থেকে রাজারহাটে নিয়ে এসেছিল। সেখানে ‘মূল চক্রী’ আখতারুজ্জামানের একটি ভাড়া করা ফ্ল্যাটে রাখা হয়েছিল তাকে। বাংলাদেশে গ্রেফতার হওয়া আমানুল্লা এবং শিলাস্তি রহমানের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেও জিহাদকে জেরা করা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।

সিয়ামের খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু করেছে সিআইডি। তদন্তকারীদের অনেকেই প্রায় নিশ্চিত যে সিয়াম নেপালে লুকিয়ে রয়েছে। সিয়ামকে পাকড়াও করতে নেপাল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন সিআইডির কর্তারা। যদিও সরকারি ভাবে এ সব কিছুই স্বীকার করেনি সিআইডি।

পুলিশের একাংশের মতে, সিয়াম বাংলাদেশি নাগরিক। সে দেশের পুলিশও তাকে নিজেদের হেফাজতে পেতে চাইছে। নিয়ম অনুযায়ী, সিয়াম নেপালে গ্রেফতার হলে তাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। এ দিকে, আখতারুজ্জামান ওরফে শাহিন সম্পর্কে গোয়েন্দা জানতে পেরেছেন, অন্ধকার জগতের কিছু বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে আজিমের বিরোধ চলছিল। সেই কারণেই এই খুন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।# তথ্য: আনন্দবাজার পত্রিকা

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট