1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
তানোরে গোপণে মিটার স্থানান্তর থানায় মামলা - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
কাগজের চিরকুট’: এক অবিনাশী স্বপ্নের পুনর্জন্ম ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল রাজশাহীর বাঘায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু, প্রধান আকর্ষণ লক্ষ টাকার প্রাইজমানি মা ইলিশ সংরক্ষণের প্রথম দিনেই বাঘায় ২ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি ভূমিমন্ত্রী আত্রাইয়ে ভিডিপির ১০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা চালিয়েছে ‘ছোট ভাই’: ছাত্রদল নেতা নিশাত রামেবি ভিসিকে অবরুদ্ধের পর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কাটা হলো ঘরের তালা ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের প্রথম দিনেই ৬ হাজার মিটার জাল জব্দ শিবগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তিতে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

তানোরে গোপণে মিটার স্থানান্তর থানায় মামলা

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪
  • ২১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন, বিশেষ প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে না জানিয়ে গোপণে মিটারের সিল কেটে মিটার স্থানান্তর চক্রের মুলহোতা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম জহুরুল ইসলাম। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) মাদারিপুর গ্রামের বাসিন্দা জয়মতুল্লাহর পুত্র জাহাঙ্গীর আলম।

জানা গেছে, চলতি বছরের গত ২৪ মার্চ  মামলা হলেও রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো গ্রাহককে মিমাংসা করার নির্দেশ দেন মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এসআই মজিবুর বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। এতে দুই গ্রাহক চরম বেকায়দায় পড়েছেন। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার আসামীকে গ্রেফতারের জোর দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগী দুই গ্রাহকসহ ডিজিএম।

মামলার এজহারে উল্লেখ,  রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্যাডে ১৯৬ নম্বর স্বারকের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, জাহাঙ্গীর পিতা জয়মতুল্লাহ সাং মাদারিপুর, উক্ত ব্যক্তি তানোর জোনাল অফিসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অর্থের বিনিময়ে অবৈধ ভাবে বৈদ্যুতিক মিটার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে দিচ্ছেন। যেমন হিসাব নম্বর ৪৬৪-২৬২০ গ্রাহকের নাম আব্দুর রশিদ পিতা বদের আলী ও হিসাব নম্বর  ৪৬৪-২৬৫০ গ্রাহক বদের আলী পিতা মাশি উভয়ের গ্রাম, ধানোরা। এদুজন গ্রাহকের আবাসিক মিটার অফিসকে অবহিত না করে অবৈধভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে দিয়েছেন। যা বিদ্যুৎ আইন ২০১৮ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত বৈদ্যুতিক স্থাপনা/ইক্যুইপমেন্টে দন্ডনীয় অপরাধ।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কামারগাঁ ইউপির ধানোরা গ্রামের রশিদ ও তার পিতা বদের আলীর ঘর ওয়ারিং শেষে মিটারের সিল কেটে অন্যত্র স্থানান্তর করেন জাহাঙ্গীর। বিদ্যুৎ বিল দেয়ার জন্য মিটার রিডার এসে এঅবস্থা দেখে গ্রাহককে জিজ্ঞেস করেন কে করেছে মিটারের এঅবস্থা। গ্রাহকরা বলেন জাহাঙ্গীর। মিটার রিডার বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। বিষয়টি জানার পর ডিজিএম ওই দুজন গ্রাহককে অফিসে তলব করেন এবং মিটারের সিল কাটার বিষয়টি ডিজিএমকে খুলে বলেন। এসময় দু”জন গ্রাহকক লিখিত অভিযোগ দেন ডিজিএম বরাবর। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডিজিএম থানায় এজহার দায়ের  বা মামলা করেন জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে।

এছাড়াও জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই তানোর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেক্ট্রিশিয়ান  লিটন অধিক টাকার বিনিময়ে এবং কর্তৃপক্ষের নাম করে আর্থিক সুবিধা নিয়ে বিদ্যুৎ লাইন পাইয়ে দিতেন। ঘটনা বুঝতে পেরে এবং টাকার বিষয়টি প্রমান পাওয়ায় তাকে পল্লী বিদ্যুৎ তানোর জোনাল অফিস থেকে বহিষ্কার করেন । লিটন এখনো বহিষ্কার অবস্থায় আছেন। সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার বড় ভাই একই কায়দায় বৈদ্যুতিক মিটার টাকার বিনিময়ে স্থানান্তর করে থাকেন।

স্থানীয়রা জানান, জাহাঙ্গীর ও লিটন তারা দুই ভাই পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকের কাছে এখন মুর্তিমান আতঙ্ক। এবিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  এসআই মজিবুরের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এবিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তাকে বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা দুই ভাই ষড়যন্ত্রের  শিকার।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট