1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
চরফ্যাশন ইউএনওর ব্যাতিক্রমী দৃস্টান্ত, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন খাল খননের অবশিষ্ট ১ কোটি ২ লাখ টাকা  রাসিক প্রশাসকের আসাম কলোনী বায়তুল আমান জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় ও ১৮নং ওয়ার্ডের আসাম কলোনী এলাকা পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, রাজশাহীতে গ্রেফতার ১ রাতের অন্ধকারে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, ৭ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ মির্জাপুরে সনাতনী যুবক অনিক কর্মকারের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ শিবগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের তিন সদস্য গ্রেপ্তার আড়ানীতে বিএনপির অফিস পুড়ানোর পর এবার ইউনিয়ন বিএনপির নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নওগাঁর পোরশায় দুই তরুণের মর্মান্তিক মৃত্যু মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের মানোন্নয়নে সেমিনার ও চেক বিতরণ করলেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার আমলযোগ্য অপরাধে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করতে পারে যখন

ট্রেনের পাশে দাড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে প্রাণ হারালো শাওন

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২৯৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

# বিশেষ প্রতিনিধি…………………………………………..

ট্রেনের সাথে সেলফি তুলতে গিয়ে সুদীপ্ত হালদার শাওন নামের এসএসসি এক পরীক্ষার্থী মারা গেছে। সে রাজশাহীর আড়ানী পৌরসভার চকসিংগা মহল্লার শুকুমার হালদারের ছেলে। সোমবার (৩০ জানুয়ারী) আড়ানী শ্মশানে তাকে দাহ করা হয়েছে। আগের দিন রোববার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎধীন অবস্থায় মারা যায় সুদীপ্ত হালদার শাওন।

 

পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, আগামী এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার। উপজেলার আড়ানী সরকারি মনোমোহীনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল সুদীপ্ত হালদার শাওন। জানা যায়, রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মামার বিয়ের দাওয়াত খেয়ে আবদুলপুরের তারাপুর গ্রাম থেকে করিমপুর রেলগেটে আসে। এ সময় পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী বাংলাবান্দা চলন্ত ট্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার সময়ে ট্রেনের ধাক্কায় পড়ে গুরুতর আহত হয়।

 

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে সুদীপ্ত হালদার শাওনের বাবা শুকুমার হালদার বলেন, স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়ার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই মারা যায়। মা শান্তনা হালদার বলেন, আমার ভাই সেতু কুমার হালদারের বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলেন একসঙ্গে। ফেরার কথা ছিল একসঙ্গেই। কিন্তু সেখানে তাদের রেখে ফোনের ইন্টারনেটের প্যাকেজ কিনবে বলে করিমপুর রেলগেটে যায়। পরে আর একসঙ্গে বাড়ি ফেরা হয়নি। আব্দুলপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হীরেন্দ্রনাথ সরকার জানান, রাজশাহীতে ছিলাম। মৃত্যুর বিষয়টি জানেন না। #

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট