
বিশেষ প্রতিনিধি: স্থানীয়ভাবে মিমাংসার একদিন পর হত্যার উদ্দেশ্যে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মামুন হক (৩৮)এর মাথার ডান পাশে আঘাত করে গুরতর রক্তাক্ত জখম করে। মাটিতে পড়ে গেলে জিয়াউল হক এর হাতে থাকা লোহার শাবল ও আশরাফুল ইসলামের হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দ্বারা মামুন হকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে নিলাফোলা জখম করে। মামুন হক (৩৮) বাঘা উপজেলার মনিগ্ৰাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্ৰামের -মৃত আব্দুল জলিল সরকার এর ছেলে ।
ঘটনার সময় স্থানীয় মোখলেস, আসাদুল ইসলাম , জামাল আলী সহ আরো লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগন বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ, ভয়ভিতী, হুমকি প্রদান করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তার মাথায় ১১ (এগারো) টি সেলাই প্রদান করে। গত বুধবার (৩১ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মনিগ্ৰাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্ৰামের আশাদুলের দোকানের সামনে ঘটনা ঘটে। পরে গঙ্গারাম গ্ৰামের জয়নাল আবেদিন (২২) পিতা-মোঃ জিয়াউল হক, জিয়াউল হক (৪৮), পিতা- মৃত আব্দুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম (৬০), পিতা- মৃত আব্দুর রহমান সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় মামলা করেন মামুন হক।
মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায় , ঘটনার দুই দিন আগে সোমবার (ইং-২৯/১২/২০২৫) রাত অনুমান ৮:৩০ টায় মামলার ১নং আসামি জয়নাল আবেদিন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মনিগ্রাম বাজারে গরু জবাই করার ছুরি নিয়ে মামুন হককে মারার জন্য খুঁজে। বিষয়টি জানতে পেরে বাজারের লোকজন তাকে থামিয়ে তার কাছে থাকা ছুরিটি কেড়ে নিয়ে মনিগ্রাম বাজারস্থ আমিনুর ডাক্তার এর দোকানে রাখে। পরের দিন মঙ্গলবার (ইং-৩০/১২/২০২৫) রাত ০৮:০০টায় গ্রাম্য শালিস এর মাধ্যমে মনিগ্রাম ইউনিয়ন এর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুকুল হোসেন ও আরো এলাকার লোকজন বসে বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। মিমাংসা শেষে মামুন হক বাড়িতে চলে আসেন।
বুধবার (৩১/১২/২০২৫ ) সকাল অনুমান ০৯:০০ টার সময় গঙ্গারামপুর গ্রামের আসাদুল এর বাড়ির সামনে কাচা রাস্তার উপর মামুন হক ও তার ভাগ্নে জামাই মখলেস এর বাড়ি করার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার সময় ০১নং আসামি জয়নাল আবেদিন হুকুম দিয়ে অন্যান্য আসামিরা চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। মামুন হক অভিযোগ করেন, মামলা হলেও আসামি গ্ৰেপ্তারে তৎপরতা নেই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জামিল হোসেন জানান, আসামি গ্ৰেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। #