1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রামেবি ভিসিকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধনে ৩ দিনের আল্টিমেটাম: সচেতন রাজশাহীবাসী গ্ল্যামার বনাম জীবনবোধ: আত্মহননের মিছিল রোধে ধর্মীয় ও আত্মিক চেতনার গুরুত্ব সারিয়াকান্দিতে পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যাবসায়ীসহ ৫ জন গ্রেফতার ধোবাউড়ায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ টেন্ডারবাজি ,চাঁদাবাজি, অবৈধ পুকুর খননসহ অন্যায় কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না : এমপি চাঁদ   বিএনপি ও দেশের উন্নয়ন করবে তারেক রহমান, বললেন বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা ঈশ্বরদীতে কৃষকের ৫ লাখ টাকার গাজর লুটের মামলায় দুই যুবদল কর্মী গ্রেফতার বদরগঞ্জে ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিস্কার করলেন সংসদ সদস্য বিএমটিটিআই’র ২১৭তম ব্যাচের উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকা দিয়েও শেষ রক্ষা হচ্ছে না: ডিএফও, এসিএফ এর হুঁশিয়ারি

রাজশাহী নগরীতে বৃদ্ধার লিজকৃত জমিসহ বাড়ি জবরদখল, প্রশাসন সহযোগিতা করছে না

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী ………………………………………………………….

রাজশাহী নগরীতে এক বৃদ্ধার লিজকৃত জমিসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ  ঘটনায় ২৪ নভেম্বর  বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী বৃদ্ধা নারী রাজশাহী সংবাদিক ইউনিয়নে সংবাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করেন।

 

এসময় তিনি বলেন, মানবিক কারণে আগে থেকে পরিচিত এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিকে থাকতে দেয়া হয়। এরপর থেকে তিনি বাড়িটি দখল করে নিয়েছেন। এখন সে বাড়িতে ঢুকতেও দিচ্ছেনা আমাকে।

 

অভিযোগকারি বৃদ্ধার নাম সুরাইয়া আখতার (৭৪)। তিনি নগরীর ফুদকিপাড়া এলাকার মৃত আবদুল জাব্বারের স্ত্রী। বর্তমানে নগরীর রাণীনগর এলাকার এক ভাড়া বাড়িতে তিনি থাকছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধা সুরাইয়া আখতার বলেন, আমার প্রয়াত স্বামী আবদুল জাব্বার ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৮ সালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ফুদকিপাড়া এলাকায় আড়াই কাঠার একটি জমি ইজারা নেন। সেখানে তিনি টিনশেড একটি বাড়ি তৈরি করেন। ১৯৯৯ সালে তার স্বামী  মারা যান। এরপর  থেকে আমি সেখানে আমার মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছিলাম।

 

২০২০ সালে আমি অসুস্থ হলে আমার দেখাশোনা করার জন্য কেউ না থাকার কারণে আমি বড় মেয়ের কাছে চলে যায়। যাওয়ার আগে  বাড়িটি দেখভালের জন্য, আমার পূর্ব পরিচিত মাইনুল হক মিনুকে থাকতে দেয়। তিন মাস পর আমি ফিরে আসলে তিনি আর আমাকে বাড়িতে উঠতে দেয়নি।

 

তিনি আরো বলেন, মিনুকে বাড়িটি ছেড়ে দেয়ার কথা বললেও তিনি ছাড়তে চাচ্ছেন না। বাড়ি দখলে নেয়ার বিষয়টি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, বোয়ালিয়া থানা ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত কেউ ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি।আমি বাড়ির ২০২০ সাল পর্যন্ত ইজারা অর্থ পরিশোধ করেছি।  তাস্বত্বেও বাড়িতে বসবাস করতে পারছি না।

 

আমার বাড়ীটি দখলের জন্য, এখন মাইনুল হক মিনু স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য  ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে।

 

এবিষয়ে কথা বলার জন্য মাইনুল হক মিনু বলেন, আমি এখানে বসবাস করছি। জায়গাটি আমার। আমি জায়গাটি বরাদ্দ পেতে আবেদন করেছি জেলা প্রশাসকের দপ্তরে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট