
বিশেষ প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বা অসহায় ব্যক্তির পোস্ট দেখে এগিয়ে এসেছেন মানবিক ছাত্রনেতা। এই ধরণের মানবিক উদ্যোগগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ।
জানা যায়, স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মী আব্দুল হামিদের ফেসবুক আইডি থেকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর ভাইরাল পোস্টের খবর পেয়ে রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক এসএম সালাউদ্দিন আহমেদ শামীম সরকার সরাসরি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। শামীম সরকার বাঘা উপজেলা পরিষদের চেযারম্যান প্রার্থী ও সরেরহাট গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার (৩০মার্চ) ২৫ কেজি চাউল, ১০ কেজি ময়দা, ২ কেজি তেল, ২ কেজি ডাউল নিয়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শরিফুল ইসলামের বাড়িতে হাজির হন শামীম সরকার। এর আগেও রাজশাহী-৬(চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদের পক্ষে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের এক দুস্থ পরিবারকে ঢেউটিন দিয়ে সহাযতা করেছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়াও অসহায় মানুষের পাশে রয়েছেন। এরকম উদ্যোগের ফলে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি অন্যান্যরাও দায়বদ্ধতা অনুভব করছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন,প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তির ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার সমাজের অসহায় মানুষদের জন্য বড় ধরণের সহায়তা নিয়ে আসতে পারে । তারা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শুধুমাত্র সীমাবদ্ধতা বা আবেগের জায়গা থেকে না দেখে, তাদের সাফল্য ও প্রয়োজনের দিকে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
শরিফুল ইসলাম রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার বাজুবাঘা গ্রামের মৃত বিচ্ছাদ প্রামানিকের ছেলে। স্থানীয় রবিউল ইসলাম জানান, তার মাও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। আগে মা ছেলে দু’জনেই ভালো ছিল। অসুখের কারণে আগে তার মা এবং দৃষ্টি হারান শরিফুল। বাড়ির পাশের নাস্তার ধারে ছোট্র একটি দোকান চালান শরিফুলের স্ত্রী। এভাবেই সংসার চরে তাদের।#