1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ঠাকুরগাঁওয়ে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা  - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
প্রবীণ শিক্ষক আবু সাঈদ মাস্টার আর নেই শাপলা সৃজনমঞ্চ নজরুল উৎসবের উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক রাসিক প্রশাসক রিটন মহিষবাথান পূর্বপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজ ও ঈদগাহ পরিদর্শন শিবগঞ্জে পুলিশি অভিযানে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক: উদ্ধার পিস্তল, গুলি ও ম্যাগজিন নওগাঁর পত্নীতলায় নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ সামন্তসেনা মাদ্রাসায় নবীন বরণ ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমানকে অশ্রুসিক্ত বিদায় নওগাঁর আত্রাইয়ে অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না: ফজলুল হক মিলন এমপি ভোলায় পারিবারিক বিরোধে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপ: স্বামী আটক এনসিপির ভোলা জেলার নতুন কমিটি ঘোষণার পরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

ঠাকুরগাঁওয়ে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা 

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ২২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বেলাল হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, বাড়ি ঘর ভাঙচুর, প্রাণনাশের চেষ্টা, ও হত্যার হুমকির অভিযোগ ওঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। গত ২৭ শে জুলাই (রবিবার) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৭ নং চিলারং ইউনিয়নের ভেলাজান নদীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সুধীর দেবনাথ এই অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি মৃত গৌরাঙ্গ চন্দ্র দেবনাথ এর ছেলে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, থানা ও জেলা ঠাকুরগাঁও, মৌজা ভেলাজান, জে.এল নং- ১৪৪ খতিয়ান নং- ৩৬৪, দাগ নং- ৪১৪৫, জমির পরিমাণ ১০ শতক। তফসিলে উল্লেখিত বসত ভিটায় দীর্ঘ ১৯ বছর পরিবার নিয়ে ভোগ দখল করে আসছেন ভুক্তভোগী সুধীর দেবনাথ। আর সেই বসতভিটা দীর্ঘদিন যাবত ষড়যন্ত্র করে জবরদখল করে নেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন একই এলাকার সহির উদ্দিন, তার স্ত্রী নুরবানু, ছেলে সামিরুল, মেয়ে সালিয়া এবং বড় ভাই হাসিম উদ্দিন এর বিরুদ্ধে। বিবাদীগণ তফসিল বর্ণিত বসত ভিটাটি জবরদখল নেয়ার জন্য ভুক্তভোগীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রাণ নাসের হুমকি সহ বসত ভিটা জ্বালাইয়া পুড়াইয়া এলাকা ছাড়ার হুমকি দিয়ে আসতে থাকে।

লিখিত অভিযোগে আরো জানায়, ঘটনার দিন ২৫- শে জুলাই ২০২৫ ইং রোজ শুক্রবার সময় আনুমানিক দুপুর ১২ টার সময় বিবাদীগণ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভুক্তভোগীর বাড়িতে বেআইনিভাবে ধারালো অস্ত্র এবং লাঠি সোটা নিয়ে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় ভুক্তভোগী বিবাদীদের কাছে গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে তারা বলে এ পাশে আমাদের চলাচলের রাস্তা রয়েছে। আমরা তোমার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ভেঙ্গে দিয়ে এ পাশে রাস্তা বানাবো। আর আমাদের কাজে কেউ বাধা দিতে আসলে তোকে সহ তোর পরিবারকে খুন করবো । এ সময় ভুক্তভোগী তাদের বাধা প্রদান করলে তারা ভুক্তভোগীতে এলোপাথাড়ি মারপিট করে। এবং বিবাদিগণের সাথে থাকা অজ্ঞাত সাত আট জন ঘরে টিন এবং দরজা ভাঙচুর করে।ঔ তৎক্ষণাৎ চিৎকার চেঁচামেচি এবং গোলোযোগের সৃষ্টি হওয়ায় আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগণ ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রয়েছে । ভিডিও রেকর্ডিং এর সময় বাধা প্রদান করা হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগে দাবি জানান ভুক্তভোগী।

বিবাদীগণ ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার সময় আরো হুমকি দিতে থাকে আর বলতে থাকে, তোরা পালিয়ে যা। তোদেরকে এই জায়গা থেকে যেভাবে হোক ঘর ছাড়া করবো। তোদের জমির উপর দিয়ে রাস্তা বানাবো তুই কিছুই করতে পারবি না। থানা পুলিশ গেলে তোদেরকে মারিয়া লাশ গুম করে দিব । বাড়িঘর রাতের আঁধারে জ্বালায় দিবো। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে আরো জানান, ইতিপূর্বে আমি বিবাদী গণের বিরুদ্ধে কোর্টে ১০৭ ধারাই মামলা করেছিলাম। তারা মুচলিকা দিয়েছিল কিন্তু তারপরও বিবাদীগণ তফসিল বর্ণিত বসতভিটা জবরদখল করার পায়তারা করে আসতেছে । আমি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক। সংখ্যালঘু হওয়ায় আরো বেশি আতঙ্কে আছি।

স্থানীয়রা জানান, তফসিল বর্ণিত জমিটি মোট ৫৭ শতক। এর মধ্যে শহির উদ্দিন এবং তার ভাই হাশেম আলী ক্রয় করেন ১৯, একই এলাকার কমির উদ্দিন ক্রয় করেন ২৮ শতক এবং সুধীর দেবনাথ ক্রয় করেন ১০ শতক। বাকি পক্ষ গুলো তাদের অংশগুলো শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসলেও সুধীর দেবনাথের বসত ভিটার উপর দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে সহির উদ্দিনের সাথে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত প্রায় বিরোধ লেগেই থাকে। আর এই রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে কয়েকবার স্থানীয় সালিশ ও আদালতে মামলা হলেও বিষয়টির সমাধান আজোও পাইনি সুধীর দেবনাথ।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহীর উদ্দিন বলেন, সুধীর দেবনাথ যে জমিতে বসবাস করছে এই জমির প্রকৃত মালিক আমরা দুই ভাই। তা জমি জায়গা না থাকার কারণে বহু বছর আগে আমরা তাকে এখানে বসবাস করতে দিয়েছি মাত্র। আমরা দুই ভাই কেউ তার কাছে জমি বিক্রয় করিনি। তিনি শুধু শুধু এই জমির মালিক দাবি করছে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট