1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়ার দ্বন্দ্বে হামলায় আহত ২ - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
লালপুরের দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মুক্তার কাঁচপুর-ভোলা ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন ২০২৬: ঢাকা-ভোলা রুট, সময়সূচি ও গুরুত্ব শিবগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষক নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে কিশোরের করুণ মৃত্যু আত্রাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ পালিত উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর উদ্যোগে রূপসায় সাক্ষরতা দিবস পালিত রাজশাহীর বাঘায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও তীব্র নিন্দা কাশিয়াডাঙ্গা মোড়ে বাস-অটোরিকশাচালকদের ঝামেলা, তীব্র যানজটে জনদুর্ভোগ দেবহাটায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়ার দ্বন্দ্বে হামলায় আহত ২

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ জুলাই, ২০২৪
  • ৩১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ বিশেষ প্রতিনিধি……….

রাজশাহীর বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ২ জন আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (৭ জুলাই) দুপুরে আড়ানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আড়ানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মহিদুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক নের্তৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠুর ভাতিজা জিনারুল ইসলাম রোববার যোহরের নামাজের আযান দিতে আসেন। এ নিয়ে ইমামের সাথে তর্ক লাগে। এক পর্যায়ে মসজিদের ইমাম মাইকে প্রচার করে কিছু লোকজন হামলা করতে এসেছে। তার কথায়, মসজিদের সদস্য শহিদুল ইসলাম সেন্টু ও মানিক হোসেন এগিয়ে আসেন। এ সময় মিজানুর রহমান মিঠুর লোকজন লোহার রড়, বাঁশের লাঠি, বালিট, হাসুয়া নিয়ে শহিদুল ইসলাম সেন্টু ও মানিকের উপর হামলা করে। এ হামলায় তারা নাকে,মুখে মাথায় লেগে গুরুতর আহত হন। সজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি মহিদুল ইসলাম ও স্থানীয় সেলিম উদ্দিন বলেন, মসজিদকে কেন্দ্র আবদুর রশিদ, ফজল হোসেন, মসলেম উদ্দিন, মিজানুর রহমান মিঠু দীর্ঘদিন থেকে ফ্যাসাত করে আসছে। সমাজের ১১০ পরিবার একত্রিত হয়ে তাদের সমাজ থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে মসজিদে গিয়ে সময়ে অসময়ে দ্বন্দ্ব লাগায়।

মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু বলেন, তারা এককভাবে সমাজকে নেতৃত্ব দিতে চায়। প্রতিবাদ করায় তারা একত্রি হয়ে আমদের সমাজ থেকে আলাদা করে রেখেছে। আমার ভাতিজা আযান দিতে গেলে তারা আযান নিতে বাধা দেয়। এ দিয়ে ইমামের সাথে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

মসজিদের ইমাম সামসুল ইসলাম বলেন, আমি বাইরে থেকে এখানে এসে ইমামতি করি। যখন তখন এসে সময় হওয়ার আগে জিনারুল মসজিদে এসে আযান দেয়। এ নিয়ে নিষেধ করায় আমাকে আক্রমন করে। আমি বাধ্য হয়ে মাইকে প্রচার করি। তার কথা শুনে দুই সদস্য এগিয়ে আসলে তাদের উপর হামলা করে।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর জানার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে দিয়েছি। তবে এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট