1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে সমাজকে সুস্থ পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে পারেঃ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা শিবগঞ্জের সোনামসজিদ সীমান্ত দিয়ে চার ভারতীয়  নাগরিককে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর রাজশাহীতে বালুর দাম ট্রাকপ্রতি ৫ হাজার টাকা নির্ধারণে প্রশাসন রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েদির মৃত্যুর অভিযোগ রায়ের এক বছর পর মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে শাখা ডাকঘর কর্মচারীদের ২ দফা দাবিতে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি প্রদান অবিরাম বৃস্টিতে ভোলায় বিস্তীর্ণ এলাকা, সড়ক ও জনপদ পানির নীচে, দূর্ভোগে কয়েক হাজার গ্রামবাসী মির্জাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা গাছ এবং ইয়াবা উদ্ধার সারিয়াকান্দিতে অভিযানে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও জনসম্মুখে ধ্বংস রূপসায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত

পাবনায় TMSS ভাঙ্গুড়া শাখার এনজিও কর্মী সোহেলের দুর্নীতির কৌশল

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ২৪৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ: পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলায়,TMSS ভাঙ্গুড়া শাখার এনজিও কর্মী সোহেলের দুর্নীতি। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে উপজেলার পার্শ্ববর্তী চৌবাড়ীয়া গ্রামের উপজেলা পাড়ার বাসিন্দা মঞ্জুয়ারা খাতুন উপজেলার পার্শ্ববর্তী উপজেলা পাড়ার সমিতিতে ভর্তি হতে আসেন।

মঞ্জুয়ারার কাছ থেকে এনজিও কর্মী সোহেল সঞ্চয় বাবদ ৫ হাজার টাকা এবং ভর্তি ফি ১০০ টাকা আর একটা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে বলে আগামী সপ্তাহে অফিসে গেলে তাকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ দেবে। পরের সপ্তাহে সমিতিতে সোহেলের পরিবর্তে অন্য একজন কর্মী আসে। তার কাছে জিজ্ঞেস করলে বলে সোহেল অসুস্থ আপনাকে আজ লোন দিতে পারবেনা। সঞ্চয়ের টাকা ফেরত নিতে পারেন। এবং সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দেয়। ভর্তির ১০০ টাকা ফেরত চাইলে বলে সোহেল এসে দেবে। পরপর তিন সপ্তাহ সোহেলের আর পাত্তা নেই।

সোহেলের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে বলে, ভর্তি বাতিল করে নতুন ওই কর্মের কাছ থেকে টাকা নেবেন। নতুন কর্মী বলে যার কাছে টাকা দিয়েছেন তার কাছ থেকে টাকা নিবেন।

এরকম ছোটখাটো দুর্নীতির আরো প্রমাণ পাওয়ায় এ ব্যাপারে ভিশন এস টিভির সংবাদকর্মী সোহেলের সাথে কথা বলতে চাইলে, সংবাদকর্মীকে উল্টো হুমকি ধামকি দিয়ে বলে যা পারেন তাই কইরেন।তার ছবি উঠাতে গেলে মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত চলে যায়।

দুর্নীতিটা অল্প পরিসরে হলেও সোহেলের এটা এক ধরনের স্বভাব হয়ে গেছে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যাতে সোহেলের মত এনজিও’র অন্যান্য কর্মীরা গরিব অসহায় মানুষের একটি টাকাও মেরে দিতে সাহস না পায়।এলাকার ক্ষুদ্র ঋন গ্রহীতারা সোহেলের এহেন ব্যবহারে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট