1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
শিবগঞ্জে কালের প্রবাহে হারিয়ে গেছে গরু দিয়ে জমি চাষ - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বদরগঞ্জে কিশোরের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামানের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তরুণ্যের দীপ্ত অঙ্গীকারে সাতক্ষীরায় যুব অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন টাইব্রেকারে পবাকে হারিয়ে জেলা প্রশাসক কাপের ফাইনালে মোহনপুর বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত নওগাঁর পোরশায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বাঘায় নজরুল বর্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন, শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচনা মির্জাপুরে উপজেলা পরিষদ ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামী ও শ্বশুর আটক পত্নীতলায় ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন

শিবগঞ্জে কালের প্রবাহে হারিয়ে গেছে গরু দিয়ে জমি চাষ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: NightHDR; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 117.12785; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

৥ শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা: যান্ত্রিক যুগের কবলে পড়ে বিলুপ্তির পথে শত শত বছরের পুরানো লাঙ্গল বলদে চাষ পদ্ধতি। বর্তমানে লাঙ্গল- বলদে জমি চাষ যেন কাল্পনিক । কারণ খুব সময়ে ও অল্প খরছে খুব সহজেই কৃষকরা বিভিন্ন যন্ত্র দিয়ে জমি চাষ করতে পারছে। তাই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতেই চাষাবাদে মেতেছে কৃষক সমাজ।।

শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের শতাধিক বছরের প্রবীন কৃষক আলহাজ ইসহাক আলি বলেন,কৃষকরা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ হলেও লাঙ্গল-বলদের মত ভাল হয় না। আগে আমরা মিস্ত্রী দিয়ে কাঠ দিয়ে লাঙ্গল তৈরী করে নিতাম এবং সে লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ করতাম। ফাল্গুন ও চৈত্র মাস আসলেই আমরা শত শত কৃষক লাঙ্গল রিস, গাদা ও লিজানের জন্য তিন খানা কাঠ ও জোয়ালের তৈরীর জন্য এক টুকরা বাঁশ নিয়ে মিস্ত্রীর বাড়িতে ভিড় করতাম লাঙ্গল তৈরী করে নেয়ার জন্য। তিনি আরো জানান সে সময় একজন কৃষকের জন্য বড় সম্পদ ছিল একটি লাঙ্গল ও এক জোড়া বলদ। বৃ

হত্তর দিয়াড় এলাকায় বছরে দুই মৌসুমে ধান ও রবি শস্য উৎপাদন হতো। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে আমরা শত শত কৃষক ভোররাতে জেগে উঠে বলদকে খাইয়ে অতি সকাল সকাল শত শত কৃষক সারিবদ্ধভাবে লাঙ্গল ও বলদ নিয়ে জমিতে গিয়ে চাষ শুরু করতো এবং প্রায় সারা দিন কৃষি কাজে ব্যস্ত থাকত। এ সময় দিয়াড় এলাকার প্রায় শতভাগ কৃষকই আউশ ধান পাট, ভুট্টা, চিনা, কোদ্দা, শ্যামা, কাউয়ুন ইত্যাদি ফলস চাষ করতো। অন্যটি কার্তিক মাসের দিকে রবি শস্য চাষের জন্য সূর্য উঠার সাথে সাথে লাঙ্গল বলদ নিয়ে মাঠে গিয়ে জমি চাষ করতো। এ সময় কৃষকরা ঝাাঁকে ঝাঁকে সরিষা,পিঁয়াজ রসুন, মটর, ছোলা, তিল, তিসি, সহ বিভিন্ন ধরনের ফসল বোপন ও রোপন করতো।

৭৫ বছরের কৃষক রাইসুদ্দিন জানান, বর্তমানে কালের প্রবাহে আউশ ধানের চাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে। আউশ ধানের স্থলে বর্তমানে ইরি ও বোরো ধান চাষ হচ্ছে। তবে পাটের চাষ এখনো আছে। রবি শস্য সবগুলো এখনো চাষ হচ্ছে। তবে লাঙ্গলের পরিবর্তে ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষ করা হচ্ছে। কৃষক মিজানুর রহমান জানান, যান্ত্রিক যুগে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ট্রাক্টর বা পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষাবাদ অনেকটা সহজ হওয়ায় কৃষক সমাজ যন্ত্রের সাহায্যে সব ধরনের চাষাবাদ করছে। আগের যুগের লাঙ্গল ও বলদ দিযে জমি চাষ করার কথা আমরাও শুনেছি। কিন্তু এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। কৃষক ফজলুর রহমান বলেন,রবি শস্যের ক্ষেত্রে সবই আগের মত আছে। শুধু জমি চাষ করাটা লাঙ্গল ও বলদের পরিবর্তে ট্রাক্টর ও পাওযার টিলার দিয়ে চাষ করা হচ্ছে।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিঞা বলেন, বর্তমানে যান্ত্রিক যুগে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদে স্বল্প খরচে ও অল্প পরিশ্রমে অতিরিক্ত সহজ পদ্ধতিতে জমি চাষ করার সযোগ হওয়ায় কৃষক সমাজ আর অগের মত লাঙ্গল ও বলদ দিয়ে চাষ করা হতে ধীরে ধীরে বিমুখ হচ্ছে। তবে আগের যুগের লাঙ্গল ও বলদ দিয়ে চাষ পদ্ধতি খারাপা ছিল না। তিনি আরো বলেন এখনো কোন কোন কৃষক স্মৃতি স্বরুপ লাঙ্গল ও বলদ দিয়ে কিছু কিছু জমি চাষ করছে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট