1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত গৃহবধূর কান থেকে স্বর্ণের দুল চুরির  অভিযোগ মালির বিরুদ্ধে, তদন্ত কমিটি গঠন আত্রাইয়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ আত্রাইয়ে দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ রূপসায় খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত রানীশংকৈলে লুমিনাস গ্রুপের কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দূর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ গোদাগাড়ীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ ভোলা জেলা পুলিশ লাইনে আধুনিকায়িত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মেসের শুভ উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক দুই নদীতে ডুবে তিনজন নিখোঁজ, ৫ ঘণ্টা পর স্কুলশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার তানোরের চান্দুরিয়া ইউনিয়ন বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা, সচেতনতা ধরে রাখার আহ্বান

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৮৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট