1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
কালীগঞ্জের তুমুলিয়ায় খ্রিষ্টান বাড়ীতে ডাকাতি জামায়াত-আমীর ডা.শফিকুর রহমানের-সঙ্গে তারেক রহমানের-সৌজন্য সাক্ষাৎ  জামায়াত এমপির নেতাকর্মীদের মারপিটসহ সৃষ্ট সহিংসতার প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে সংবাদ সম্মেলন আত্রাইয়ে আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি রেজু শেখ: ইসলামী আদর্শে উন্নয়নের অঙ্গীকার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণ: বিস্ফোরক আইনে মামলা, গ্রেপ্তার ৫ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপি’র এমপি, নির্বাচিত হওয়ায় একে এম ফজলুল হক মিলন কে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় গাজীপুর ৫ আসনের জনসাধারণ নওগাঁর কাশোপাড়ায় আগুনে পুড়ল বসতঘর ও গবাদিপশু লালপুরের মোহরকয়া এলাকায় ৪৮০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক নাটোর-১ আসনে বিএনপির জয়,৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত তারেক রহমানকে খুলনাবাসীর অভিনন্দন হেলালকে পরিবেশ-বন ও জলবায়ু মন্ত্রী দায়িত্ব অর্পণ ‎ ‎

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২১১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট