1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু - দৈনিক সবুজ নগর
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর জোর রাষ্ট্রপতির ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে সামাজিক আন্দোলনের ডাক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর রূপসায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট: এনসি ইউনাইটেডকে হারিয়ে পুটিমারির জয় বদরগঞ্জে আম বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত: ক্যানুলা হাতে রাত জেগে রোগীর সেবায় ভোলার দুই চিকিৎসক রাজশাহী তানোরে টানা বৃষ্টিতে মাটির ঘর ধসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: চাপা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে ১২৭৫ পিস ট্যাপেনটাডল ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার পোরশায় পুনর্ভবা নদীর তীরে বরশি দিয়ে মাছ ধরার বর্ণিল উৎসব রাজশাহীতে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৬৯ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার ২

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট