1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
আইসিটি এমপ্লোয়ি সোসাইটির রাজশাহী বিভাগীয় কমিটি গঠন রাজশাহীতে এবারও চামড়ার দাম কম লোকসানে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা নওগাঁ পুলিশ সুপার এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি তানোরে এক যুগ ধরে একে অপরকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাইকর ও খেজুর গাছ কাজদিয়া সরকারী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অসুস্থ্ ছাত্রীর পাশে বিদ্যালয়ের এ্যলামনাই আ্যসোসিয়েশন “শিক্ষার আলো জ্বেলে শক্তিশালী, বাঘা উপজেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি” রাবির বাঘা উপজেলার শিক্ষার্থীদের ঈদ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত লালপুরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জুট মিলে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ৮৩ লাখ টাকার মালামাল লুট লালপুরে পৃথক অভিযানে অবৈধভাবে পুকুর খনন ও‌ ভরাট-বালি উত্তোলনের দায়ে ২ ব্যাক্তির ২ লাখ টাকা জরিমানা সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা: প্রজনন সুরক্ষায় কড়াকড়ি, সংকটে কর্মহীন বনজীবীরা শিবগঞ্জে পাগলা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিশু শিক্ষার্থীর সলিল সমাধি

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট