1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বদরগঞ্জে কিশোরের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামানের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তরুণ্যের দীপ্ত অঙ্গীকারে সাতক্ষীরায় যুব অধিকার পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন টাইব্রেকারে পবাকে হারিয়ে জেলা প্রশাসক কাপের ফাইনালে মোহনপুর বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত নওগাঁর পোরশায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বাঘায় নজরুল বর্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন, শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচনা মির্জাপুরে উপজেলা পরিষদ ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামী ও শ্বশুর আটক পত্নীতলায় ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট