1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাজশাহীতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে শপিংমল, মার্কেট এবং দোকান রাজশাহীতে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার বাঘায় পুকুর পাড়ে স্যান্ডেল-ব্যাগ দেখে জাল নামিয়ে পাওয়া গেল মরদেহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আকস্মিক শিলাবৃষ্টি: আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা আত্রাই চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে পুলিশ সদস্যের ২ পা বিচ্ছিন্ন তামাক ও জর্দা সেবনের শরয়ি বিধান: একটি তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিশ্লেষণ বাঘায় ৭৪০ জন কৃষক পেল সার-বীজ, প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের টাকা পেল ২৪৩ জন আত্রাইয়ে রাজশাহী সিটি কলেজের  ছাত্রকে অপহরণ করে নৃশংস কায়দায় হত্যার চেষ্টা, আইফোন ছিনতাই রূপসায় বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ: পশু চিকিৎসকের স্ত্রীর মৃত্যু, স্বামী আশঙ্কাজনক ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা, আসামি গ্রেফতার ও শাস্তি দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট