1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ ​সংকীর্ণ মেহরাব ও ছোট মসজিদে ইমামের দাঁড়ানোর স্থান: ইসলামি শরিয়তের আলোতে একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বাঘায় আনসার-ভিডিপির কমান্ডার- দলনেতা-দলনেত্রী পেলেন মহাপরিচালকের ঈদ উপহার শিবগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় স্ট্রিয়ারিং চালক কিশোর  নিহত শিবগঞ্জের চাহিদার চেয়ে প্রায় ৫ হাজার বেশী মজুদ কোরবানীর  পশু হৃদপিণ্ডে ছিদ্র ও খাদ্যনালী ব্লকে মৃত্যুর সাথে লড়ছে ১৩ মাসের অর্পিতা — বাঁচাতে এগিয়ে আসার আকুল আহ্বান তানোরে বিনা পারিশ্রমিকে শিব নদীর পাড়ে সবুজের ছায়া গড়েছেন গাছপ্রেমীক মোয়াজ্জেম জাবেদ আলি শিবগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে বজ্রপাতে নারীসহ নিহত ২ শিবগঞ্জের খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শিবগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী  ড. সাইমুম পারভেজ এর নাগরিক সংবর্ধনা

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৬০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট