1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
বাঘায় ভ্যান থেকে পড়ে গুরুতর আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান শফি ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়াল্ড ভিশনের হত দরিদ্রদের গ্রাজুয়েশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত  বাঘায় ১৫০ বোতল এসকাফ (ESkuf) সিরাপসহ মোটরসাইকেল আটক, গ্রেফতার ২ মির্জাপুরে গৃহবধূ গোলাপী হত্যার রহস্য উদঘাটন ও হয়রানির প্রতিবাদে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আত্রাইয়ের ১১ জন প্রবাসীদের পরিবারকে নওগাঁ জেলা প্রশাসনের সহায়তা কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সাথে রাসিক প্রশাসকের সাক্ষাৎ রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা ও ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত নিয়ামতপুরে পৈলানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালে এসএসসিতে শতভাগ অকৃতকার্য, শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবি বাঘায় শতভাগ ফেলের চমক ৩ বোর্ডের ৩ স্কুল- বানিয়াপাড়া, বাউসা ভোকেশনাল – সরেরহাট দাখিল মাদ্রাসা রূপসার যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট