1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
তানোরের কামারগাঁ খাদ্যগুদামে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ প্রকৃত কৃষক বঞ্চিত, গুদাম কর্মকর্তার আতিকুরের বদলির দাবি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্যারাকুয়েটসহ অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক নিষিদ্ধের দাবি ট্রাফিক জ্যাম, মাদক ও কিশোর গ্যাং নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বেগ, দ্রুত ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেন আরএমপি কমিশনার বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে মেধার জোরে চাকরি হবে- সংবর্ধনা ও স্নাতক সমাপনী উৎসবে এমপি চাঁদ রাজশাহী নির্বাচন অফিসে ১৪৩ জনের অবৈধ নিয়োগে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ নওগাঁর নিয়ামতপুরে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ২২ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ প্রদর্শনী খামারের জন্য বাঘায় মাছের পোনা ও উপকরণ পেলেন ৪ চাষী আত্রাইয়ে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন, দুই যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড বদরগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে একজনের মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু ধর্ষণ মামলায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৯৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট