1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
তানোরে একই পরিবারের ৩ জন সদস্য নিয়ে এডহক কমিটি গঠনের অভিযোগ রাজশাহীর  সিসিএমকে স্বপরিবারে  মারধর করার প্রতিবাদে পাকশী ও রাজশাহীতে  কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক সংগঠনের  বিভিন্ন কর্মসূচি পালন; তীব্র নিন্দা ইংরেজিতে ফেল করায় বিষপানে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনসমূহের খেলার মাঠের সুব্যবস্থাকরণ উপলক্ষে  আলোচনা সভা  পাবনার ঈশ্বরদী থেকে লালপুর ইয়াবা সাপ্লাই দিতে এসে ১০০ পিস ইয়াবা সহ আটক-৩ ‎মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে এস এস সি পরীক্ষার সাফল্য ৫০ জন জিপিএ-৫ ‎ রাসিক প্রশাসকের সাথে নারী উদ্যোক্তা সমাজ কল্যাণ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন দই, মিষ্টি ও ঘি বিক্রেতাকে জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ এর লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন,বিঘ্ন ঘটছে কৃষি   ও কলকারখানাতেও রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী অপহরণ-হত্যাচেষ্টার মামলা: ১৭ দিনেও গ্রেফতার নন অভিযুক্ত

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩০৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট