1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু - দৈনিক সবুজ নগর
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
বাগমারায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: স্থানীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান নেতাদের রাজশাহীতে ৪.১৯ কোটি টাকায় উত্তরবঙ্গের প্রথম পরিবেশবান্ধব ‘গ্রীন বিল্ডিং’ নির্মাণ শুরু রাজশাহীতে সাহরা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬-এর প্রথম ধাপ শুরু ভাল মানুষ ও ভালো রেজাল্ট করে যোগ্য নাগরিক হওয়া সম্ভব: তৌহিদ আক্তার পান্না বাঘায় জননী ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যু: ডাক্তার-নার্স ও চিকিৎসা পদ্ধতি তদন্তের দাবি কুষ্টিয়ায় পার্কে বসে একসঙ্গে বিষ খেলেন পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা সেতুর দাবিতে হেঁটে দেশ ভ্রমণে ৭০ বছরের বাবা ও উদ্যোক্তা ছেলে ট্রাইবেকারে পুঠিয়াকে হারিয়ে ডিসি কাপের ফাইনালে দুর্গাপুর তানোরে নানা কর্মসূচিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সভা ভোলার ১৪৫টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চরম অনিয়ম: অনুমোদন ও বিশেষজ্ঞ ছাড়াই চলছে অপচিকিৎসা

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট