1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় নৌকাডুবি: বিএসএফের উদ্ধার ১০ বাংলাদেশিকে ফেরত আনল বিজিবি পবার হরিপুর ইউপি চত্ত্বরে সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টা ও মানহানির অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে সেন্ট মাদার তেরেজা স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন চলমান সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর বাঘায় প্লাবিত চকরাজাপুরে ১০০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে আনসার-ভিডিপির ত্রাণ বিতরণ নাচোলে জামায়াতে ইসলামীর ‘যুব সমাবেশ–২০২৬’ ও বনভোজন অনুষ্ঠিত লালপুরে গ্রামীণফোন টাওয়ারের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার, গ্রেফতার ১ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নজরে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ইকোনমিক জোন ও বন্ধ চিনিকল নওগাঁর আত্রাইয়ে তিন মাসব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ ছাত্রদলের দিবা-রাত্রি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার মটরে শ্রমিকের মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন বিশেষ প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বির্তকিত  নেতা আবু সাঈদের অবৈধ সেচ মটরের বোরিং করতে গিয়ে মাথায় লোহার পাইপ পড়ে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম সাইদুর রহমান (৪৫) তিনি তিন সন্তানের জনক ও অমৃতপুর গ্রামের মৃত ছবের আলীর পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।অন্যদিকে ঘটনার পর পরই আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ ও তার পুত্র মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছে।

জানা গেছে,উপজেলার কলমা ইউপির মালবান্ধা বাঘপুকুর মাঠে আবু সাঈদের গরুর খামার ও সেচ মটর রয়েছে। কিন্তু সেই মটরের পাশে আরেকটা অবৈধ মটর স্থাপন শুরু করে। ১৯ জানুয়ারী রোববার সকালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বোরিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে চাইলেই সাঈদ করতে দেয়নি।একপর্যায়ে সাঈদের পুত্রের হাত ফসকে উপর থেকে লোহার বড় পাইপ পড়ে শ্রমিক সাইদুরের মাথায়। পাইপের আঘাতে সাইদুরের দুকান দিয়ে মগজ বেরিয়ে যায়। এ সময় সহযোগী শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সাইদুরের এই মৃত্যুর দায় আবু সাঈদ ও তার পুত্র এড়াতে পারে না। তার মৃত্যুর পর পরই সাঈদ ও তার পুত্র এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

একাধিক গ্রামবাসী বলেন,তারা সাইদুর হত্যার বিচার চান এবং মামলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ টাকা-পয়সা দিয়ে সকলকে ম্যানেজ করেছেন। তারা বলেন, সাঈদের যদি দোষ না থাকে তবে তারা বাপ-বেটা এলাকা ছেড়ে পালালো কেনো। তারা সাঈদকে আটক ও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট