1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
গোদাগাড়ীতে সহকর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা - দৈনিক সবুজ নগর
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে কুষ্টিয়ায় ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক সার ডিলার নিয়োগের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় মিথ্যা মামলার অভিযোগ কৃষকদল নেতার আত্রাইয়ে পুলিশ ও জনতার যৌথ তৎপরতায় চোরাই বাইক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৭৫টি ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট প্রদান শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত শিবগঞ্জে মাদ্রাসার সুপার ও তাঁর ছেলেকে অবরুদ্ধ করে রাখল এলাকাবাসী, উদ্ধার করল পুলিশ “নজরুলের চেতনা ধারণ করে মানবিক সমাজ গঠন করতে হবে”: আত্রাইয়ে এম‌পি রেজু শিবগঞ্জে অবৈধভাবে সার মজুদ: ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা, সার উদ্ধার গোদাগাড়ীতে সহকর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা গোদাগাড়ীতে পদ্মার ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী; দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

গোদাগাড়ীতে সহকর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দুই শিক্ষকের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার গোদাগাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং রসায়ন বিভাগের প্রভাষক কামরুল আহসান কাজলকে নারী নির্যাতন মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলাটি দায়ের করেছেন একই প্রতিষ্ঠানের ভূগোল বিভাগের প্রভাষক রোখশানা নাজনীন। তাঁর স্কুলপড়ুয়া মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে ২০২৫ সালের ৪ আগস্টের একটি ঘটনার সূত্র ধরে একই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর তিনি মামলাটি দায়ের করেন।

অন্যদিকে, একই দিনে (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) প্রতারণার অভিযোগ এনে প্রভাষক রোখশানা নাজনীনকে বিবাদী করে আদালতে পাল্টা মামলা দায়ের করেন কামরুল আহসান কাজল। অর্থাৎ, একই তারিখে দুই সহকর্মী একে অপরের বিরুদ্ধে মামলায় জড়িয়ে পড়েন।

ঘটনার বিবরণ, মামলার নথি ও শিক্ষক-কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী ও বিবাদী দুজনেই পরস্পরের সহকর্মী।

প্রভাষক কামরুল আহসান কাজল জানান, রাজশাহীর সিলিন্দা মোড়ে যৌথ মালিকানায় একটি ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রক্রিয়ার সময়, ২০২২ সালের শেষদিকে রোখশানা নাজনীন তাঁর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ঋণ নেন। এই সংক্রান্ত ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র রয়েছে। কাজল অভিযোগ করেন, “পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। পরবর্তীতে কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে আমি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর আমাদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এসব বিষয়কে পুঁজি করে এবং টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।”

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রভাষক রোখশানা নাজনীন। টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, কোনো নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তিনি স্বাক্ষর করেননি। ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর (৪ আগস্টের ঘটনা ১৪ সেপ্টেম্বর) মামলা করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, পারিবারিক ও নানাবিধ কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের অন্য শিক্ষক মিনহাজ কবীর ও নূর আলম সিদ্দিক বাবরসহ কয়েকজন সহকর্মী জানান, কামরুল আহসান কাজল একজন অত্যন্ত ভদ্র মানুষ এবং তাঁর বিরুদ্ধে এমন মামলা হওয়া দুঃখজনক।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম জানান, কামরুল আহসান কাজল শিক্ষক পরিষদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। দুই শিক্ষকের মধ্যে চলা আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা এবং পাল্টাপাল্টি মামলার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট