1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
ঠাকুরগাও থানার চার পুলিশ কর্মকর্তার নামে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশে ব্যাপক রদবদল পুজোর আগেই উধাও হবে মেচেতা! জেনে নিন ত্বকের দাগছোপ মোছার আধুনিক থেরাপি নওগাঁর পত্নীতলায় দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ সমাবেশ আড়ানি পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জোরদার বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের প্রয়াণে এমপি মিলনের শোক প্রকাশ খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংগ্রহশালা পরিদর্শনে ঝালকাঠির অতিথিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে পোরশায় বিএনপির আলোচনা সভা রূপসায় ভূমিদস্যু ও মামলাবাজদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন রাসিকে জাতীয় নগর নীতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর সেবা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

ঠাকুরগাও থানার চার পুলিশ কর্মকর্তার নামে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫
  • ২১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ স্টাফ রিপোর্টার ঃ ঠাকুরগাও সদর থানায় কর্মরত মিথুন সরকার, মামুনুর রশীদ (এস আই),জিয়াউর রহমান (এস আই),ও জাবেদ আলী (এস আই) এর নামে ঘুস বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে, ঠাকুরগাঁও সদর থানার কহরপাড়া গ্রামের সাইদের পুত্র নীল আলম একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর থানার একজন পুলিশি হেফাজতে নির্যাতিত ভিকটিমের ৪ জন পুলিশের নামে মামলা।ভুক্তভোগী নীল আলম, পিতা- সাঈদ,সাং-কহরপাড়া,থানা- ঠাকুরগাঁও সদর,জেলা- ঠাকুরগাঁও,আসামীগন ঠাকুরগাঁও সদর থানার আধিপত্য বিস্তারকারী এাসের নাম,১নং আসামী-মিথুন সরকার।২নং আসামী-মোঃ মামুনুর রশীদ এস আই। ৩নং আসামী মো: জিয়াউর রহমান এস আই ৪ নং আসামী- মো: জাবেদ আলী এসআই।সাধারণ জনগন এদের নাম শুনলে এখনো স্তব্ধ হয়ে থাকে। আসামিগন খেয়াল খুশীমতো যা মন চাই তাই করতো,একাধিক নিরপরাধ মানুষকে থানায় তুলে উৎকোচ দাবী করতো দাবী আদায় না হলে চলতো অমানবিক মানসিক নির্যাতন,রাজনৈতিক মামলা অথবা চুরি বা ছিনতাইকারী হিসেবে বেধড়ক মারপিট।

ভুক্তভোগী আরো জানাই উপরোক্ত আসামী গনের মধ্যে ১ নং আসামী ঠাকুরগাঁও এ এাসের রাজত্ব কায়েম করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং কি ১ নং আসামীর সহযোগী হিসেবে ২-৪ নং আসামীএয় নিরীহ মানুষজনকে অপ্রয়োজনে থানায় এনে বেধড়ক মারপিট করে মোটা অংকের টাকা আদায় করার ওস্তাদ।ভয়ংকরী বিষয় হলো ৩ নং আসামী এতটাই বেপরোয়া যে যদি কোনো মহিলা আসামী কে আনা হয় তাহলে তাকে ধর্ষণ করে যৌন চাহিদা মিটাতো।

এভাবেই ১নং আসামীর মদদে ভুক্তভোগী নীল আলমকে বিনা কারনে শুধুমাত্র এাসের রাজত্ব কায়েম করার জন্য রুমে আটক করে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করা হয় দিতে অসম্মতি জানালে ভুক্তভোগী কে হাড়- হাড্ডি একটাও থাকবে না সব গুড়া করে টাঙন নদীতে ফেলে দেওয়া হবে বলে হত্যার হুমকি দেয়। তবে দুঃখের বিষয় ৫ ই আগস্ট স্বৈরাচারী সরকার বিদায় হলে ভুক্তভোগী আসামীগনের নামে মামলা প্রদান করেও কোনো সুফল পাইনি, কারণ তারা এখনো স্বৈরাচারী মনোভাবে আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে অনত্র  বসে ৪/৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আসামী ছাড়িয়ে দেওয়া নেওয়ার মতো জঘন্য অসৎ কাজে লিপ্ত যা আসলেই মর্মান্তিক রূপে ঠাকুরগাঁও বাসী প্রতক্ষ্য করছে। তবে উপরোক্ত আসামিরা কিভাবে এখনো পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে তা আদৌ অজানা। আ.লীগ পুলিশ চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা জরুরী। এদের বিরুদ্ধে স্ব স্ব এলাকায় তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট