1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাসিক প্রশাসকের সাথে নারী উদ্যোক্তা সমাজ কল্যাণ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন দই, মিষ্টি ও ঘি বিক্রেতাকে জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ এর লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন,বিঘ্ন ঘটছে কৃষি   ও কলকারখানাতেও রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী অপহরণ-হত্যাচেষ্টার মামলা: ১৭ দিনেও গ্রেফতার নন অভিযুক্ত রাজশাহীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে এসে জনতার হাতে ধরা   মির্জাপুরে এক নারীর সঙ্গে আলতাব হোসেনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার ঘটনায় চাকরি থেকে বরখাস্ত রাজশাহীতে পাঁচ দিনব্যাপী রাজশাহীর উদ্যোক্তা মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত জুলাই বিপ্লবী রাজশাহীর শহীদ রায়হান-সাকিব হত্যার বিচার দুই বছরেও হয়নি, নেই মামলার ভাল অগ্রগতি লালপুরে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক ২

ঠাকুরগাও থানার চার পুলিশ কর্মকর্তার নামে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ স্টাফ রিপোর্টার ঃ ঠাকুরগাও সদর থানায় কর্মরত মিথুন সরকার, মামুনুর রশীদ (এস আই),জিয়াউর রহমান (এস আই),ও জাবেদ আলী (এস আই) এর নামে ঘুস বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে, ঠাকুরগাঁও সদর থানার কহরপাড়া গ্রামের সাইদের পুত্র নীল আলম একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর থানার একজন পুলিশি হেফাজতে নির্যাতিত ভিকটিমের ৪ জন পুলিশের নামে মামলা।ভুক্তভোগী নীল আলম, পিতা- সাঈদ,সাং-কহরপাড়া,থানা- ঠাকুরগাঁও সদর,জেলা- ঠাকুরগাঁও,আসামীগন ঠাকুরগাঁও সদর থানার আধিপত্য বিস্তারকারী এাসের নাম,১নং আসামী-মিথুন সরকার।২নং আসামী-মোঃ মামুনুর রশীদ এস আই। ৩নং আসামী মো: জিয়াউর রহমান এস আই ৪ নং আসামী- মো: জাবেদ আলী এসআই।সাধারণ জনগন এদের নাম শুনলে এখনো স্তব্ধ হয়ে থাকে। আসামিগন খেয়াল খুশীমতো যা মন চাই তাই করতো,একাধিক নিরপরাধ মানুষকে থানায় তুলে উৎকোচ দাবী করতো দাবী আদায় না হলে চলতো অমানবিক মানসিক নির্যাতন,রাজনৈতিক মামলা অথবা চুরি বা ছিনতাইকারী হিসেবে বেধড়ক মারপিট।

ভুক্তভোগী আরো জানাই উপরোক্ত আসামী গনের মধ্যে ১ নং আসামী ঠাকুরগাঁও এ এাসের রাজত্ব কায়েম করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং কি ১ নং আসামীর সহযোগী হিসেবে ২-৪ নং আসামীএয় নিরীহ মানুষজনকে অপ্রয়োজনে থানায় এনে বেধড়ক মারপিট করে মোটা অংকের টাকা আদায় করার ওস্তাদ।ভয়ংকরী বিষয় হলো ৩ নং আসামী এতটাই বেপরোয়া যে যদি কোনো মহিলা আসামী কে আনা হয় তাহলে তাকে ধর্ষণ করে যৌন চাহিদা মিটাতো।

এভাবেই ১নং আসামীর মদদে ভুক্তভোগী নীল আলমকে বিনা কারনে শুধুমাত্র এাসের রাজত্ব কায়েম করার জন্য রুমে আটক করে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করা হয় দিতে অসম্মতি জানালে ভুক্তভোগী কে হাড়- হাড্ডি একটাও থাকবে না সব গুড়া করে টাঙন নদীতে ফেলে দেওয়া হবে বলে হত্যার হুমকি দেয়। তবে দুঃখের বিষয় ৫ ই আগস্ট স্বৈরাচারী সরকার বিদায় হলে ভুক্তভোগী আসামীগনের নামে মামলা প্রদান করেও কোনো সুফল পাইনি, কারণ তারা এখনো স্বৈরাচারী মনোভাবে আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে অনত্র  বসে ৪/৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আসামী ছাড়িয়ে দেওয়া নেওয়ার মতো জঘন্য অসৎ কাজে লিপ্ত যা আসলেই মর্মান্তিক রূপে ঠাকুরগাঁও বাসী প্রতক্ষ্য করছে। তবে উপরোক্ত আসামিরা কিভাবে এখনো পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে তা আদৌ অজানা। আ.লীগ পুলিশ চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা জরুরী। এদের বিরুদ্ধে স্ব স্ব এলাকায় তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট