1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহীর তানোরে ভিপি সম্পত্তিতে অনুমতি ছাড়াই প্রভাবশালী উত্তমের দ্বিতল ভবন নির্মাণ! - দৈনিক সবুজ নগর
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
হঠাৎ বন্ধ পাগলা নদীর সেতুর নির্মাণকাজ—দুর্ভোগে শিবগঞ্জের লাখো মানুষ আত্রাইয়ে হাটকালুপাড়া-কালিকাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কাজীহাটা ১ নং পুরাতন জামে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীর বিদায়ী বিভাগীয় কমিশনারকে রাসিকের বিদায় সংবর্ধনা রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সরকারি রাস্তা কেটে পাইপ স্থাপন, শ্যামনগরে ভেটখালী উত্তর পাড়ায় যেন মরণফাঁদ রূপসায় উপজেলা ইজিবাইক মালিক এবং শ্রমিক সমিতির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত আয়ান শর্মা একা নন, পাশে আছেন শত শত সাংবাদিক, চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পরকীয়ার অভিযোগে এক বাসা থেকে বিদ্যালয়েয় আয়া- প্রধান শিক্ষক আটক, আদালতে সোপর্দ সাতক্ষীরায় তেল-গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জেলা গণসংহতি আন্দোলনের মানববন্ধন

রাজশাহীর তানোরে ভিপি সম্পত্তিতে অনুমতি ছাড়াই প্রভাবশালী উত্তমের দ্বিতল ভবন নির্মাণ!

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪০১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সোহানুল হক পারভেজ, তানোর, রাজশাহী……………………………………………

রাজশাহীর তানোরে ভূমি অফিসের প্রতারণা করে সংখ্যালঘু প্রভাবশালী উত্তর কুমারের বিরুদ্ধে দ্বিতল ভবন নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে একজন ভূমিদস্যুর ভূমি অফিসের সাথে প্রতারণা করে ভিপি সম্পত্তির উপরে দ্বিতল ভবন নির্মাণে এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে চাঞ্চল্য ও বইছে ভূমিদস্যু উত্তম কুমারের শাস্তির দাবি।

শুধু তাই না, এই ভূমিদস্যু উত্তম কুমারের বিরুদ্ধে পাশ্ববর্তী প্রতিবেশী অসহায় দরিদ্র সংখ্যালঘু পরিবার ও মুসলিম পরিবারের উপরে হামলা মামলা নির্যাতন করে জায়গা দখল করারও রয়েছে অভিযোগ। এমন চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনাটি ঘটেছে, তানোর পৌর এলাকার শিবতলা হেন্দুপাড়া গ্রামে।

জানা গেছে, তানোর পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের শিবতলা হেন্দুপাড়া গ্রামে সরকারি খাস ভিপি সম্পত্তি লীজ নিয়ে সেই জায়গার উপরে গড়ে তুলেছেন দ্বিতল আলিশান ভবন। যার ভিপি কেস নম্বর- ১৯/৮৬ দাগ নম্বর-১৬০২ /১৬০৩, খতিয়ান আরএস-১২। যার লীজকৃত সময় ছিলো ১৪২৯ সাল পর্যন্ত। যা বর্তমানে লীজের সময় শেষ হয়ে গেছে ১৪২৯ সালে।

তানোর ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, খাস জায়গা ভূমিহীন পরিবারকে লীজ দেয়া হয় কিন্তু সেই জায়গায় কোন পাকা স্থাপনা গড়ে তুলতে পারবেনা। উত্তম কুমার কি ভাবে খাস জায়গার উপরে দ্বিতল ভবন নির্মাণ করলো জানতে চাইলে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার জানান, উত্তম কুমার ভূমি অফিসের সাথে প্রতারণা করে দ্বিতল ভবন নির্মাণ করেছে। যার জন্য উত্তম কুমারকে প্রতারণার দায়ে ভূমি অফিস থেকে খাস জায়গার উপরে দ্বিতল ভবন নির্মাণের জন্য নোটিশ প্রদান করা হবে বলে জানান।

অন্যদিকে ভূমিদস্যু উত্তম কুমারের বিরুদ্ধে রয়েছে নারী কেলেঙ্কারির ঘটনাও অহরহ। সম্প্রতি,বছর খানেক আগে ভূমিদস্যু উত্তম কুমার তার প্রতিবেশী মামীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের সময় হাতে নাতে জনগণ ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এছাড়াও তালন্দ ইউপির মোহর গ্রামের এক আদিবাসী নারীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের সময়ও গ্রামবাসী আটক করে উত্তমমধ্যম দিয়ে ছেড়ে দেন উত্তম কুমারকে। তার পরেও যেন দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ভূমিদস্যু উত্তম কুমার।

এছাড়াও সম্প্রতি, তানোর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে জাল চেক তৈরি করে দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েন ভূমিদস্যু উত্তম কুমার। যার জন্য তাকে ৬মাসের জন্য সাসপেন্ড করেন সাবরেজিস্টার। ভূমিদস্যু উত্তম কুমারের নির্যাতনের শিকার প্রতিবেশী নিমাই, নিতাই, গৌর, অচিন্ত কুমার দাস চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ভূমিদস্যু উত্তম কুমার আমাদের পাশবিক মানুষিক নির্যাতন করে আমাদের বাড়ির জায়গা দখল করেছে। তাকে বাঁধা দিতে গেলে আমাদের মারপিট করাসহ মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার করান। যার জন্য আমরা কেউ তার বিরুদ্ধে কিছু করতে পারিনা। তার টাকার কাছে আমরা গরীব মানুষ অসহায়। ফলে বাধ্য হয়ে আমাদের নিরুপায় হয়ে থাকতে হয়। এই দুনিয়াতে টার টাকার কাছে কোন বিচার নাই বলে চরম হতাশাগস্থ হয়ে প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তার কাছে বিচার দাবি জানান তাঁরা।

এছাড়াও আরেকজন মাহফুজ মোল্লা নামের ব্যক্তি জানান, ভূমিদস্যু উত্তম কুমারের বাড়ির পাশে তিনি ১৪শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু ভূমিদস্যু উত্তম কুমার তার সেই জায়গার উপরে রাতারাতি তাঁর কাঁটার বেড়া ভাংচুর করে দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এমনকি ক্রয়কৃত জমির প্রকৃত মালিক মাহফুজ মোল্লা উত্তম কুমারকে নিষেধ করতে গেলে তাকে ভূমিদস্যু উত্তম কুমার তার বউকে দিয়ে নারী নির্যাতনের মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার করারও হুমকি ধামকি দেন। এতে করে মাহফুজ মোল্লা তার সাথে দ্বন্দ্বে না গিয়ে প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চেয়ে আশ্রয় নেন তিনি।

এবিষয়ে জানতে উত্তম কুমারকে একাধিক বার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। বিষয়টি নিয়ে তানোর উপজেলা এসিল্যান্ড(ভূমি) কর্মকর্তা আদিবা সিফাত বলেন, ভিপি জায়গার উপরে পাকা স্থাপনা করার কোন সুযোগ নেই, যদি এরকম হয়ে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম জানান, এসব বিষয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ গ্রহণ করা হবে।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট