1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
আব্দুর রশিদ এর বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সাদুল্যাপুরে সমাজসেবা অফিস বিল্ডিং ঘর ভেঙে জমি বেদখল ও ১২ লক্ষ টাকা মূল্যের সরাকারি গাছ কর্তনের অভিযোগ - দৈনিক সবুজ নগর
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ক্লাস চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ভিসার আবেদনে দালালদের খপ্পরে পড়বেন না, নিজে আবেদন করুন: মনোজ কুমার রাসিক প্রশাসকের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন: অবশেষে সম্পন্ন হেতেমখাঁ-বর্ণালী সড়কের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ শিবগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে তুলা ব্যবসায়ী নিহত নাচোলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত, ৮৮টি বিদ্যালয়ে ফুটবল বিতরণ যন্তর মন্তরে ককরোচদের নাটকীয় ঝটিকা অভিযান: রাঙ্কা-সৌরভসহ ১৪ জন আটক, পটনায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তীব্র বিক্ষোভের মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস: ‘সন্ত্রাসবাদী’ স্লোগান ও আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ঢাকার বজ্রপাত প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষায় আত্রাইয়ে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ১ হাজার তাল বীজ রোপণ আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, ৫৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার সুসংগঠিত প্রস্তুতি রাজশাহীতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানালেন রাসিক প্রশাসক

আব্দুর রশিদ এর বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সাদুল্যাপুরে সমাজসেবা অফিস বিল্ডিং ঘর ভেঙে জমি বেদখল ও ১২ লক্ষ টাকা মূল্যের সরাকারি গাছ কর্তনের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৩
  • ৪০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ক্যাপশন: গাছ কর্তনের প্রতিকৃতি ছবি

 

# সুমা খান, গাইবান্ধা  প্রতিনিধি……………………………………………

 

কে এই আব্দুর রশিদ সরকার এর বিরুদ্ধে গাইবান্ধা  জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার জামালপুর চকশালাইপুর সমাজসেবা অফিস ঘর ভেঙে জমি বেদখল ও ১২ লক্ষ টাকার সরকারি গাছ কর্তন করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

অভিযোগ জানা যায়, সরকারি স্হাপনের বিল্ডিং ভেঙে ফেলা হয় যার মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা, মেহগনি, ইউকলিপটাশ গাছ যার মূল্য ১২ লক্ষ টাকা । এসবই আব্দু রশিদ সুকৌশলে আত্মসাৎ করেছেন। কিভাবে এতটাকার সম্পদ তিনি সবার অগোচরে উধাও করে দিলেন সেটা ভেবে দেখা দরকার।

 

সরকারি ভবন ভেঙ্গে জমি দখল এবং ঈ এলাকায় সরকারি গাছ কি করে কর্তন করে আত্মসাৎ করেছেন তা সবাইকে ভাবিয়া তুলেছে। স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশ প্রশাসন কেন বিষয়টিকে এড়িয়ে গেছেন সেটাও সচেতন মহলের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

ঘটনা জানাজানি হলে এবং কে বা কারা এব্যাপারে ইউএনও অফিসে অভিযোগ করলে বিষয়টি প্রশাসনের টনক নড়ে। যার প্রেক্ষিতে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী আফিসার বিষয়টি তদন্ত করেছেন। তবে তদন্তের পর ইউএনও কি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন নাকি কোনই ব্যবস্থা নেননি তা এখনও জানা যায়নি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট