1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
বাঘায় ১৪ দিনের মেলার জন্য ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় ওয়াকফ্ এস্টেরর মাঠ ইজারা চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম বাগানের পরিচর্যা করা নিয়ে ব্যস্ত আম চাষীরা ​রাষ্ট্রীয় বৈষম্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার দ্বৈত নীতি: বিসিএস কি একমাত্র মানদণ্ড? রামেবি ভিসিকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধনে ৩ দিনের আল্টিমেটাম: সচেতন রাজশাহীবাসী গ্ল্যামার বনাম জীবনবোধ: আত্মহননের মিছিল রোধে ধর্মীয় ও আত্মিক চেতনার গুরুত্ব সারিয়াকান্দিতে পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যাবসায়ীসহ ৫ জন গ্রেফতার ধোবাউড়ায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ টেন্ডারবাজি ,চাঁদাবাজি, অবৈধ পুকুর খননসহ অন্যায় কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না : এমপি চাঁদ   বিএনপি ও দেশের উন্নয়ন করবে তারেক রহমান, বললেন বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা ঈশ্বরদীতে কৃষকের ৫ লাখ টাকার গাজর লুটের মামলায় দুই যুবদল কর্মী গ্রেফতার

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সরকারী খালের পাড়ের গাছ নিধন, প্রশান এখনও চুপচাপ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন, বিশেষ প্রতিনিধি:

রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের (ইউপি) সরকারি ভুষনা খাল পাড়ের প্রায় অর্ধশতাধিক ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির তাজা গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।এনিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এভাবে নির্বিচারে তাজা গাছ কাটায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করেছেন স্থানীয় সুশিল সমাজ।

স্থানীয়রা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের বটতলা হাটের আতাউর রহমানের পুত্র তোসিকুল ইসলাম খাল পাড়ের জমি নিজের দাবি করে এসব গাছ বিক্রি করেছেন। গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের (ইউপি) দোগাছি গ্রামের আশরাফুল মন্ডলের পুত্র সিরাজুল ইসলাম এসব গাছ কিনেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী শরিফ, আব্দুল ও রফিকসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, এভাবে তাজা গাছ কেটে পরিবেশের ক্ষতি করা অন্যায়।তারা বলেন, এর আগেও এরা খাড়ির ধারের গাছ কেটেছেন।

এদিকে সরেজমিন ৭ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সকালে দেখা গেছে,সিরাজুল ইসলাম শ্রমিক দিয়ে খাল পাড়ে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটছে। এসময় তার কাছে গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,তোসিকুলের কাছে থেকে তিনি ৮০ হাজার টাকায় খাল পাড়ের এসব গাছ কিনেছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে তোসিকুল ইসলাম বলেন,খাল তার জায়গার ওপর দিয়ে গেছে, খাল পাড়ের জায়গা তার নিজস্ব এবং আমগাছ গুলো তার লাগানো। তিনি বলেন,গাছগুলো তিনি বিক্রি করেননি, সরকারিভাবে বিক্রি করা হয়েছে।

এবিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ইউএনও এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়ে বলেন, গাছ কাটার ভিডিও হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান বিস্তারিত  খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।

এবিষয়ে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বিএমডিএ গোদাগাড়ী ও কাঁকন হাট জোনের সহকারী প্রকৌশলীর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট