1. admin@sobujnagar.com : admin :
  2. sobujnoger@gmail.com : Rokon :
  3. saykotrajshahi2@gmail.com : Shazaman :
রাজশাহী মাউশি কার্যালয়ে দুদকের অভিযান     - দৈনিক সবুজ নগর
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
সম্প্রীতি-সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়েই আমরা এ সমাজে বসবাস করি: ফজলুল হক মিলন এমপি পাঁচবিবি সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ১৬০ বোতল ভারতীয় কফ সিরাপ উদ্ধার বাঘায় নিরাপত্তার মধ্যে উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব, মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের ঢল বোমা আতঙ্কের মধ্যেও শেষ দিনে কুষ্টিয়ায় লালন আখড়াবাড়িতে মানুষের ঢল শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের ৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন রূপসায় নবাগত ইউএনও রিফাতুল ইসলামের সঙ্গে সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মতবিনিময় বাধা দেওয়ায় শিবগঞ্জে সাড়ে ৯ কোটি টাকার ড্রেন নির্মাণ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ শিবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা: আহত ১, ৩ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার কালীগঞ্জের তুমুলিয়া ইউনিয়নে ইতিহাস: প্রথম নারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিখা বেগম বাগমারায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন তাহেরপুর

রাজশাহী মাউশি কার্যালয়ে দুদকের অভিযান    

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৭৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৥ মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন, বিশেষ প্রতিনিধি :                                     রাজশাহীতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আঞ্চলিক কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে কলেজের নতুন এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়ায় আটকে রাখা ৯১টি ফাইল উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে মাউশির রাজশাহী কার্যালয়ের কলেজ শাখার উপপরিচালক আলমগীর কবিরের বিরুদ্ধে ঘুষ ছাড়া ফাইল ছাড় না দেওয়ার অভিযোগে এ অভিযান চালায় দুদকের একটি দল।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, কলেজের নতুন এমপিওভুক্তির জন্য ১৫২টি আবেদন জমা পড়ে। প্রাথমিকভাবে এসব ফাইল পরিচালক মোহা. আছাদুজ্জামানের কাছে দাখিল করা হয়। এর মধ্যে ৪৭টি আবেদন শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বাতিল করা হয়। বাকি আবেদনগুলো ধাপে ধাপে সহকারী পরিচালক আলমাস উদ্দিন হয়ে উপপরিচালক আলমগীর কবিরের কাছে যায়। কিন্তু আলমগীর কবির ৯২টি ফাইল যথাযথভাবে পরিচালকের কাছে পাঠাননি, যা নিয়ম অনুযায়ী দুই দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করার কথা ছিল। অভিযান চলাকালে আলমগীর কবির অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তার সঙ্গে ফোনেও যোগাযোগ করা যায়নি।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমপিওভুক্তি ও বদলির ক্ষেত্রে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ না দিলে ফাইল প্রক্রিয়া এগোয় না—এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর আগে গত ১১ মার্চ একই কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে আলমগীর কবিরের বিরুদ্ধে ১৫১টি ফাইল আটকে রাখার প্রমাণ পেয়েছিল দুদক।

মাউশির আঞ্চলিক পরিচালক মোহা. আছাদুজ্জামান বলেন, “ বারবার বলার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফাইল পাঠানো হয় না। তিনি নানা অজুহাতে তা আটকে রাখেন।

দুদকের রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন বলেন, ঘুষের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। এবার ৯২টি ফাইল আটকে রাখার প্রমাণ মিলেছে। আমরা পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠাব।#

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট