সাব্বির আলম বাবুঃ ভোলার দৌলতখানে জোয়ারের পানিতে ভেসে গেলো খামারির শতাধিক মহিষ। জোয়ারের পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে এসব মহিষ ভেসে যায়। এতে খামারি ও মালিকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় মহিষের মালিকেরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) গভীর রাতে অস্বাভাবিকভাবে জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়ায় দৌলতখান উপজেলার চর বৈরাগী, মেদুয়া, মদনপুর, চর হাজারি, হাজীপুর চরসহ কয়েকটি চরাঞ্চলের কিল্লা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে বাতানে থাকা অর্ধশতাধিক মহিষ ও বিভিন্ন গবাদিপশু স্রোতের পানিতে বিভিন্ন দিকে ভেসে যায়। এর মধ্যে শতাধিক মহিষ ও গবাদিপশুর এখনো খোঁজ মেলেনি।
চরে থাকা একজন খামারি জানান, জোয়ারের পানিতে গোয়ালঘর, কিল্লা ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পানিতে তলিয়ে গেছে। মহিষ ও গবাদিপশু স্রোতের পানিতে ভেসে গেছে। নিখোঁজ মহিষ জীবিত আছে নাকি ডাকাতের কবলে পড়েছে, এটা আমরা এখনো নিশ্চিত নই। ক্ষতিগ্রস্ত মহিষের মালিকদের মধ্যে দৌলতখান পৌর বিএনপির সহসভাপতি বশির কমিশনার, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল (কমিশনার), হাজী আকবর, ইসমাইল এবং মোশাররফ মেম্বারসহ আরও অনেকেই রয়েছেন।

মহিষের মালিক জাকির হোসেন বাবুল জানান, জোয়ারের পানিতে কিল্লা তলিয়ে যাওয়ার পর মহিষ ভেসে গেছে। তিন দিন খোঁজ করার পরও কোথায় সন্ধান মেলেনি। এ বিষয়ে আমরা গত ২২ জুলাই বুধবার দৌলতখান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। খামারিরা জানান, চরে মহিষ ও গবাদিপশু পালন করে আমরা জীবিকা নির্বাহ করি। একই সঙ্গে এতগুলো মহিষ হারিয়ে আমরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফকরুল ইসলাম বলেন, ‘মহিষ নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। আমরা বিভিন্ন থানায় জানিয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।’#
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: রোকনুজ্জামান রোকন নির্বাহী সম্পাদক: ইফতেখার আলম সম্পাদক কর্তৃক উত্তর নওদাপাড়া, পো: সপুরা, রাজশাহী-৬২০৩ থেকে প্রকাশিত। মোবাইল: ০১৭১১-২০৮ ১৭২, ০১৮৩৪-৮৬১ ০০৭ ইমেইল: dainiksobujnagar@gmail.com
Copyright © 2025 দৈনিক সবুজ নগর