স্টাফ রিপোর্টার,ঈশ্বরদী,পাবনা: প্রতিহিংসা চরিতার্থ ও দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করার মাধ্যমে পৈশাচিক আনন্দ লাভ করেছিলেন হাবিবুর রহমান হাবিব এ হেন মানসিকতাকে আমি ঘৃণা করি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার। আজ মঙ্গলবার বিকেলে বাঘইলস্থ নিজ বাড়ির ফুল বাগানে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হওয়া ও প্রার্থীতা প্রত্যাহার বিষয়ে আয়োজিত প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রেসব্রিফিংয়ে বিএনপির সিনিয়রনেতাদের মধ্যে আহসান হাবিব,আব্দুর রশিদ সরদার,আব্দুস সোবহান,অধ্যক্ষ আনজাম হোসেন ডন,আবু তালেব ফকির,আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যান,রুহুল আমিন বাবলু, হুমায়ুন কবীর দুলাল,ফজলুর রহমান মাস্টার,আব্দুল লতিফ কিরণ,হাজি আজি হক,হাজি আকমল হোসেন,হাজি আাব্দুর রশিদ,রঞ্জু হোসেন,আক্তার মল্লিক,মোহাম্মদ আলী কাজল,কবীর আহমেদ,মোস্তাফিজুর রহমান নয়নসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার আরও বলেন, দলীয় মনোময়ন প্রাপ্তির প্রত্যাশয় সরাসরি নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীতার আবেদন করি। তেমনি দল আমাকে বিজ্ঞ বিবেচনায় মনোনিত করেননি।' দল নিশ্চয় বিজ্ঞ বিবেচক। দলের সিদ্ধান্ত আমার কাছে শীরধার্য্য।
২০০১ সালে হাবিবুর রহমান হাবিব বিরোধিতা করে কুড়াল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করে বিএনপিকে পরাজিত করে এবং ২০০৮ সালে সরাসরি ধানের শীষের বিরোধিতা করে নৌকার পক্ষে ভোট করে ধানের শীষের পরাজয় নিশ্চিত করেছিল। সুতরাং তার অপরাধ অনেক। এরপরও আমি বা আমদের বা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে হাবিববুর রহমান নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করেছেন। আমি ব্যথিতভাবে লক্ষ্য করলাম হাবিব সাহেব দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করেছেন যা আমাদের দলের নেতাকর্মীদের কাছে পীড়াদায়ক ও অসম্মান জনক।
শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা রেখে এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে দলের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাকালিন একজন সদস্য হিসাবে আমি গর্বিত। ১৯৯১ সালে দল অর্থাৎ দেশনেত্রী দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আমাকে সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করে যে বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়েছিলেন সেজন্য তাঁর ও দলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দলের বিচক্ষণতা ও সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে আমি এই আসনটি দলের অর্ন্তভুক্ত' করতে সক্ষম হয়েছিলাম।
১৯৮৯ সালে কতিপয় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আমাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করে। সে সময় বেগম খালেদা জিয়া জাহানারা বেগম ও মিজানুর রহমান মিনুকে সাথে নিয়ে রাজশাহীতে দেখতে যান এবং চিকিৎসার তদারকি করেন। সে সময় আমাকে বাঁচানোর জন্য ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রায় এক’শ ব্যাগ রক্ত দিয়েছিলেন। আমার শরীরে ৭/৮ ব্যাগ রক্ত ব্যবহার করা হয়েছিল এবং বাকি রক্ত বিভিন্ন গরীব মানষকে দেওয়া হয়েছিল। আমি সেই সিরাজুল ইসলাম সরদার যার শরীরে বিএনপির রক্ত এখনও বহমান কাজেই বিএনপির সাথে আমি বেঈমানী করতে পারিনা।
শহীদ প্রেসিন্টে জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন আদর্শিক সৈনিক হিসেবে নিজেকে ভাবতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। যেহেতু দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির পূর্ব পদ্ধতি না থাকার, দলীয় মনোময়ন প্রাপ্তির প্রত্যাশয় সরাসরি নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীতার আবেদন করি। দলের সিদ্ধান্ত আমার কাছে শীরধার্য্য। তাই আমি গত ১৯.০১.২০২৬ ইং তারিখ সোমবার আমার প্রার্থীতা প্রতদ্যাহার করে নিয়েছি। #
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: রোকনুজ্জামান রোকন নির্বাহী সম্পাদক: ইফতেখার আলম সম্পাদক কর্তৃক উত্তর নওদাপাড়া, পো: সপুরা, রাজশাহী-৬২০৩ থেকে প্রকাশিত। মোবাইল: ০১৭১১-২০৮ ১৭২, ০১৮৩৪-৮৬১ ০০৭ ইমেইল: dainiksobujnagar@gmail.com
Copyright © 2025 দৈনিক সবুজ নগর