
স্টাফ রিপোর্টার,ঈশ্বরদী,পাবনা: শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন/২৬ পরবর্তী সময়ে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) নির্বাচনী এলাকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা ও ঈশ্বরদীসহ পাবনা জেলার
সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য,সাবেক সফল সভাপতি,পাবনা জেলা বিএনপি ও সাবেক এমপি , বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজুল ইসলাম সরদারের পক্ষ থেকে বাঘইলস্থ সরদার বাড়িতে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন, সাবেক এমপি , বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজুল ইসলাম সরদার। বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে অধ্যক্ষ আনজাম হোসেন ডন,আব্দুল মান্নান সরদার, আবু তালেব ফকির, আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস, হুমায়ুন কবীর দলাল, ফজলুলু মাস্টার, ডাবুল হোসেন, হাসেম মেম্বর, রঞ্জু মেম্বর,মোহাম্মদ আলী কাজল,কবীর আহমেদসহ ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের
বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় চেয়ারপার্সন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীসহ দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত কেন্দ্রিয় নীতিনির্ধারণী নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক দলের স্বার্থে জরুরিভাবে পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে প্রকৃত বিএনপি নেতকির্মীদের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন,সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার গর্ভে জন্ম নেওয়া বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব পাবনা-৪ আসন থেকে পরাজিত হওয়ার
সঝঠ মূল কারণ হলো গত ৫ আগস্ট/২৫ ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আওয়ামীলীগ ও জাসদ থেকে আসা হাবিবুর রহমান হাবিবের পেটোয়া বাহিনী প্রধান মক্কেল কসাই,হামদু মেম্বরের মত অসংখ্য পেটোয়াবাহিনী প্রধান,বিএনপি নেতা খালেক মেম্বর হত্যাকারী শরিফুল ইসলাম তুহিন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য.ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আনিস বিশ্বাস হত্যাকারী,অস্ত্র ব্যবসায়ী আরিফ বাঙ্গাল,নদী অঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী কাকন বাহিনীকে নিয়ে ঈশ্বরদীর সাহাপুর,সলিমপুর,লক্ষিকুন্ডা,পাকশীএলাকাসহ ঈশ্বরদী আটঘরিয়ার বিভিন্ন এলাকার হাটঘাট,বালু মহল, ইটভাট, সাধারণ মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জমি,ফসল,গরু ,ছাগল, হাঁসমুরগী,লূটপাট, কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষাণী নুরুন্নাহারের ১২ লাখ টাকাসহ অসংখ্য গরু লুট করা, সাধারণ ব্যবসায়ী রাম প্রসাদের ৬ লাখ,৫৩ ইটভাটা থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকাসহ বিভিন্ন চাইনিজ হোটেল,পেট্রোল পাম্প,বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান, গ্রীণ
সিটি এলাকার একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি করেন।

শুধুকি তাই ? পাবনা- ৪ আসনে নির্বাচন হয়েছে মূলতঃ জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামীলীগের মধ্যে। কারণ দলের চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নির্দেশও অমান্য করে এখানে নির্বাচনী কাজ পরিচালনা করা হয়েছে। তারেক রহমান মনোনয়ন বঞ্চিতদের সাথে নিয়ে নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নির্বাচন কালীন সময়ে হাবিব, মূল বিএনপির নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগেই “পাবনা জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করে সাবেক সফল জেলা সভাপতি ও দুইবারের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামসহ প্রকৃত
বিএনপিকে অবমূল্যায়ন করেন।#