
পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পত্নীতলায় বর্গাচাষকৃত জমিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে বিষ ছিটিয়ে প্রায় এক লাখ টাকার রোপণকৃত ধান নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক মো. সোহেল রানা রানু (৪৬) পত্নীতলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঝলকাহার গ্রামের বাসিন্দা সোহেল রানা রানু তাঁর নানাশ্বশুর মো. নুরুল আমিন ও নানীশাশুড়ি রাবেয়া খাতুনের কাছ থেকে কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চকগৌরী মৌজায় ২ একর ৯ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছেন। তবে পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা আবু মুসা (৩৮), মো. আবদুর রশিদ (৫৫), মো. আইয়ুব আলী (৪৩), মো. বাবলু (৪৫), মো. তারিকুল ইসলাম (২৬) ও মো. সাঈদ (১৮)—সর্বসাং চকগৌরী, থানা-পত্নীতলা—বিভিন্ন সময়ে ওই জমি নিজেদের দাবি করে জবরদখলের চেষ্টা ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ অক্টোবর রাতে অভিযুক্তরা বেআইনিভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে বিষ ও স্প্রে মেশিন নিয়ে ওই বর্গাচাষকৃত জমিতে অনধিকার প্রবেশ করেন। পরে ১ নম্বর অভিযুক্তের নির্দেশে অন্যরা জমিতে রোপণ করা ধানে বিষ ছিটিয়ে দেন। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোহেল রানা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাঁকে গালিগালাজ করেন এবং ভবিষ্যতে জমিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিষ প্রয়োগের ফলে মাঠের রোপণকৃত ধানের গাছগুলো মরে পুরো পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, জমিতে সরাসরি কীটনাশক বা বিষ স্প্রে করার কারণেই মুহূর্তের মধ্যে এভাবে ধানের গাছ মরে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সোহেল রানা রানু জানান, শত্রুতা করে বিষ প্রয়োগের ফলে তাঁর চাষ করা ২ একরেরও বেশি জমির বিপুল পরিমাণ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তাঁর আনুমানিক এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক ও স্থানীয়ভাবে সমাধান না হওয়ায় তিনি বিচার পেতে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: রোকনুজ্জামান রোকন নির্বাহী সম্পাদক: ইফতেখার আলম সম্পাদক কর্তৃক উত্তর নওদাপাড়া, পো: সপুরা, রাজশাহী-৬২০৩ থেকে প্রকাশিত। মোবাইল: ০১৭১১-২০৮ ১৭২, ০১৮৩৪-৮৬১ ০০৭ ইমেইল: dainiksobujnagar@gmail.com
Copyright © 2025 দৈনিক সবুজ নগর